৭-খানা-জিনিশ-যা-বিবাহের-পর-বাড়ি-সম্বন্ধে-মনে-পরে-

 আপনার বাড়ি যাতে আপনি সারা জীবন থেকেছেন।সেই চার দেওয়াল আপনাকে রোদ বৃষ্টি থেকে রক্ষা করেছে।যেখানে আপনি দুঃখের রাত আনন্দ ভরা সন্ধ্যা কাটিয়েছেন।বিবাহের পর এই চেনা আরামদায়ক চার দেওয়াল ছেরে যেতে হয়।এই তো জীবন, অন্যায্য পরিবর্তনশীল।সব সময় কল্পনা করবেন বাপের বাড়ি ঘুরতে যাওয়া নিয়ে। তবে সব মূল্যবান জিনিস হারিয়ে যাওয়ার পরই তাদের মূল্য বোঝা  যায় এবং বাড়ি সম্বন্ধে একই কথা খাটে। 

১. মায়ের হাতের রান্না

মায়ের হাতের রান্নার জন্য মন কেমন করবে। বিবাহের পর রান্নাঘর বাড়ি আপনাকেই সামলাতে হবে এবং রান্নাও করতে হবে।মা যেই হাসি নিয়ে খাবার আনত তা মনে পরে যাবে। মায়ের রান্নার সারল্যেই তো জাদু! আপনি খাওয়া পর্যন্ত মা অন্ন স্পর্শ করেন না।মনে হবে আপনার বাড়ি ছিল স্বর্গ এবং মায়ের রান্না ঐশ্বরিক

২. য়তক্ষণ পর্যন্ত ঘুমাতে পারা

মাঝে মাঝে এমন হয় না যে ঘুম থেকে আর উঠতেই ইচ্ছা করে না? তবে এবার আপনার দুপুর ওবধি ঘুমানর ঘুম থেকে উঠে প্রাতরাশ তইরি পাওয়ার দিন শেষ। বিবাহের পর সূর্যর সাথে উঠতে হয় সবাইকে ওঠাতে হয়।তখন নিজের পুরানো বিছানায় কম্বল মুরি দিয়ে দেরি পর্যন্ত ঘুমিয়ে থাকার ওই সুন্দর অনুভব মনে পরে যাবে

৩.ভাই-বোন

টানাটানি, ঠেলাঠেলি, প্রেম ঘৃণাএরম সম্পর্ক আর কার সাথে হতে পারে?তাদের তো সবচেয়ে বেশি মনে পরে! তারা চিরসাথীও এবং চিরশত্রুও। তারা সদাই আপনার পাশে ঁদাঁড়িয়ে থেকেছে।আপনাকে বিরক্ত করে থাক,মারামারি করে থাক বা মাবাবাকে নালিশ করে থাক,  তাদের কথা সবচেয়ে বেশি মনে পরবে

৪.বাবার দেওয়া পরামর্শ

অনেকসময় হয় না যে বাবার সাথে বসলেই উনি সমস্যার সমাধান করে দিয়েছেন?বাবার আন্ত:রিকতা, আহ্লাদ তিনি কাছে ছিলেন বলে আপনি যা সুরক্ষা বোধ করতেন তা মনে পরে যাবে। পৃথিবী আপনার বিরুদ্ধে হলেও বাবা সদা পাশে দাঁড়াবেন। তিনিই আপনার সবচেয়ে বিশ্বস্ত পরামর্শদাতা এবং সাহসের আধার 

৫.কোন কাজ না থাকা

বিবাহের পর সেই দিনগুলি মনে পরব যাবে যখন আপনাকে কোন কাজ করতে হত না।তখন তো বসে বসেই যা চাই পাওয়া যেত। এখন বাসন মাজা, কাপড় কাচা বাড়ির টুকটাক কাজ সবই আপনার দায়িত্ব। নতুন বাড়িতে সবই বিপরীত। কাজটা আপনি করলেই সেটা পুরণ হবে। গায়ে ফুঁ দিয়ে ঘুরে বেড়ানোর দিন শেষ

৬.বাজেট ও রসিদ নিয়ে মাথা ঘামাতে হয় না

বিবাহের আগে আপনার মনে হত হয়ত যে আপনি দায়িত্ববান তবে সত্য এই যে বিবাহের আগে আপনি দায়িত্ব ব্যাপারটাই জানতেন না।রসিদ বাজেট বানাতেই সময় কেটে যাবে। কোন জিনিশটা কত টাকা দিয়ে কেনা উচিত ভাবতে ভাবতে মাথা খারাপ হয়ে যাবে। আয়ের কথা না ভেবে ব্যয় করবার দিন আপনার শেষ 

৭. নিজের মত থাকা

বিবাহের পর আপনি যত চেষ্টা করুন আপনি কারুর চোখে ভালো হতে পারবেন না।তখন নিজেকে বদলাবার চেষ্টা করবেন স্বামী শশুড়শাশুড়ি কে খুশি করবার জন্য। বৈবাহিক জীবনে সুখ শান্তি পাওয়ার জন্য আপনি নিজের সখ,প্রতিভা নিজেকে ভুলে যাবেন। খোলা বাতাশে নিজের মত করে বাচতে ভুলে যাবেন

বিবাহের পর সবই বদলে যাবে। তবে পরিবর্তন চিরস্থায়ী এবং সবসময় খারাপ নয়।মা বাবা, ভাই বোন বাড়ির জন্য মন কেমন করলে ফোনন করে নেবেন বা খুব কষ্ট হলে চলে যাবেন। মনটা ঠিক ভালো হয়ে যাবে

 

Leave a Reply

%d bloggers like this: