santan-hobar-par-alpbayasi-o-sundari-dekhanor-upay

সন্তান হওয়ার পর বেশির ভাগ মহিলাই নিজের ত্বক, শরীর, চুল ও মনের খেয়াল করতে ভুলে যায়। কখন ভেবেছেন যে হয়ত আপনার গর্ভের পূর্ব যা চেহারা ছিল তা ফেরাতে অতিরিক্ত সময় লাগছে? চিন্তা করবেন না, আমাদের কাছে সন্তান হওয়ার পর সুন্দর দেখানোর উপায় আছে!

১. ব্যায়াম করা

যতই কষ্ট হোক, সুন্দর ও সুস্থ থাকতে হলে ব্যায়াম করতে হবে, দৌড়িদৌড়ি করতে হবে। প্রসবের পর শরীর নরম থাকে তাই যদি প্রয়াস করেন তো ওজন তাড়াতাড়ি কমবে এবং আপনি সুস্থ বোধ করবেন।তবে তৎক্ষণাৎ জিমে গিয়ে নিজেকে ক্লান্ত করবেন না। আসতে চলার প্রয়োগ করুন। এমন ব্যায়াম করবেন যাতে চর্বি গলে শরীর শক্ত হয়ে ওঠে। প্ল্যাঙ্ক, স্কোয়াট ও ক্রাঞ্চ সবচেয়ে কাজে দেবে। ১০ মিনিট দিয়ে শুরু করুন। যদি মনে হয় এক্সারসাইস করতে কষ্ট হচ্ছে তো ব্যায়াম করুন। ব্যামের সহস্র উপজোগিতা।  সকালে উঠে সূর্য নমস্কার করলে মনে হবে সমস্ত সন্তান জাতীয় চিন্তার থেকে মুক্তি পেলেন।  

২. সঠিক ভিটামিনগুলি নেওয়ার চেষ্টা করবেন

আপনি জা খাবেন তা দিয়েই তো শরীর তৈরি হবে! সঠিক খাবার খেয়ে প্রোটীন, ভিটামিন ও পুষ্টি সংগ্রহ করলে তা আপনার ও আপনার সন্তানের জন্য ভালো। বাচ্চা তো আপনার থেকেই পুষ্টি পাচ্ছে? অনেকটা জল, বাদাম, ফল ও শাকসবজি খেলে আপনার ও সন্তানের শরীর ভাল থাকবে।

৩. চুলের খেয়াল নিন

গর্ভের পর অনেক মহিলার চুল পরে, এতে কিছু আশ্চর্য নেই। তবে চুল দিয়েই মুখের গঠন তৈরি হয় এবং চুলের অভাবে চেহারা বেশ অন্যরকম লাগে। ভিটামিন বি ও সি খাবেন। চুল ছোটো করে কাতবেন যাতে মুখটা ভরাভরা লাগে। চুলে গরম জিনিশ লাগাবেন না, তা চুলের আরো ক্ষতি করবে।

৪. ত্বকে চমক আনতে হবে

গর্ভের চমক বজায় রাখতে গেলে সকাল ও রাত ত্বকের পেছনে কসরত করতে হবে। সপ্তাহে একবার অন্তত স্ক্রাব করে ত্বকের মৃত কোষগুলি সরানোর চেষ্টা করবেন। শুধু মুখ নয়, সারা শরীর স্ক্রাব করবেন এবং সবচেয়ে বেশি পেট। হালকা সিরাম দিয়ে মুখ পরিষ্কার করবেন যাতে ত্বকের ছিদ্র বন্ধ না হয়ে জায়। শিয়া মাখন বা নার্কেল তেল দিয়ে শরীর শোকাবেন, সকাল ও রাতে। চোখের তলায় সিরাম বা বাড়িতে বানানো চা বা কফির প্যাক লাগান। শিশু ঘুমালে আপনিও ঘুমাবেন যাতে আপনি দিনের পর্যাপ্ত নিদ্রা পেতে পারেন।

৫. নিজেকে পুনর্যৌবন দিন

মাঝে মধ্যে নিজেকেও একটু  আহ্লাদ দিন। সেলুনে গিয়ে ম্যানিকিউর, পেডিকিউর, ম্যাসাজ বা চুলের স্পা করান।সেলুনে যাওয়ার ইচ্ছা না থাকলে বাড়িতে ডেকে করান। সুন্দর, লম্বা স্নানেও শরীর, মন ও চেহারা শিথিল হয়।

৬. ঠিকঠাক জামা পড়ুন

আপনি কি পোশাক পড়লেন তা দিয়েই আপনার সামগ্রিক চেহারা গঠন হয়। এমন পোশাক পড়বেন যাতে আপনাকে ফিট দেখায়। দেখবেন যাতে আপনার পোশাক শরীরের আমনোরম দিক নয়, সুন্দর দিকে দৃষ্টি আকর্ষণ করে। দিনে দিনে স্টাইল পাল্টাবেন যাতে একঘেয়ে না লাগে আপনাকে।

৭. হাঁটবেন

ক্লান্তিমুক্ত হওয়ার জন্য এবং মুখের থেকে ক্লান্তির রেখা মেটাবার জন্য রোজ রোদে বেরিয়ে হাতুন। সারাক্ষণ শিশুর শাথে এক  ঘরে থাকবেন না, গান শুনুন, প্রকৃতির সৌন্দর্য উপভোগ করুন। স্বামী বা পরিবারের অন্য সদস্যদের শিশুর দায়িত্ব দিয়ে আপনি নিজেকে ফিরে পাওয়ার চেষ্টা করুন!

 

Leave a Reply

%d bloggers like this: