c-section-somporke-apnor-ja-dhorona-nei-delivery-bangla

 

১. টানা কয়েক সপ্তাহের কঠোর বিশ্রাম

একটি সি সেক্শনের মাধ্যমে সন্তান জন্ম দেওয়ার পর সেই মহিলাটিকে কম করেও টানা ৮ সপ্তাহ কঠোর বিশ্রামে থাকতে হয়. শুধুমাত্র ভারি কাজ যে করা নিষেধ থাকে তাও নয়, কোনোরকম হালকা কাজ ও করার আগে ভালভাবে যাচাই করে নিতে হয়. এর ফলে মহিলাটি সম্পূর্ণ ভাবে তার পরিবারের সকল সদস্যদের ওপর নির্ভরশীল হয়ে পড়েন। সেই তুলনায় স্বাভাবিক জন্ম পদ্ধতি অবলম্বন করলে এক ঘন্টার মধ্যেই মা তার স্বাভাবিক সুস্থতা ফিরে পায় এবং সতেজ হয়ে ওঠেন।

২. মাতৃ স্তনে দুধ আসতে দেরী হয

সি সেক্শন অবলম্বন করার পর মাতৃ স্তনে দুধ আসতে অনেকটা সময় লেগে যায় এবং সেই মুহূর্তে বিকল্প পদ্ধতির দ্বারা অর্থাৎ মাতৃ স্তনে পাম্পিং- এর দ্বারা শিশুকে স্তন্যপান করানো হয়. এটি মায়ের জন্যেও খুব পিরাকায়ক। স্বাভাবিক জন্ম পদ্ধতিতে এই ধরণের সমস্যা বা পীড়া সহ্য করতে হয়না।

 

৩. কাটা অংশের পীড়া কমতে দেরী হয়

সি সেক্শন পদ্ধতিতে শিশু জন্মের পর মহিলাদের ওঠা বসা করার সময়ে কাটা অংশে অধিক পরিমাণে পীড়া ও উদ্বেগ সহ্য করতে হয়. এমনকি শিশু জন্ম হওয়ার ১.৫ মাস পর অবধিও সেই অংশ থেকে পুঁজ বেরোতে থাকে। এরকম সময় ক্রমাগত চিকিৎসকের পরামর্শ নিতে থাকা প্রয়োজন এবং পরামর্শ অনুযায়ী কোনো আন্টি সেপ্টিক মলম সেই কাটা জায়গায় প্রয়োগ করা প্রয়োজন। শুধু তাই নয়; ধীরে ধীরে যখন সেই কাটা জায়গার ঘা কমতেও শুরু করে, পরবর্তী অবস্থায় সেই অংশে অত্যন্ত পরিমানে চুলকোন শুরু হয়. কিছু কিছু মহিলাদের জন্যে এই সমস্যা মাতৃত্বের ৩.৫ বছর পর অবধিও রয়ে যায়.

৪. কোষ্টকাঠিন্য

বর্তমানে এটি হল সি সেক্শন পদ্ধতিতে সদ্য মা হওয়া মহিলাদের একটি গুরুত্বপূর্ণ সমস্যা। এমনকি পায়খানা করার সময়ও কাটা অংশে প্রচুর পরিমানে ব্যথা অনুভব করে থাকেন মহিলারা। তাই এই সমস্যাও ক্রমাগত চিকিৎসকের সাথে আলোচনা ও তার পরামর্শের মধ্যেই থেকে নিতে হয়

 

৫. কোনরকম ঝোঁকা বা ভারি জিনিস তোলা বারন

যদিও এই ধরণের নিষেধ স্বাভাবিক পদ্ধতিতে মা হওয়া মহিলাদের জন্যেও প্রয়োগ হয়, তবুও সি সেক্শন পদ্ধতিতে মা হওয়া মহিলাদের জন্যে এই ধরণের নিষেধ বিশেষ ভাবে প্রয়োগ হয়ে থাকে।

স্বাভাবিক পদ্ধতি হোক বা সি সেক্শন পদ্ধতি, মা হওয়া কালীন মহিলাদের জন্যে বেশী গুরুত্পূর্ণ হল তার পরিবারের সকল সদস্যকে পাশে পাওয়া। তবে, একথা ঠিক যে সি সেক্শনের মধ্যে দিয়ে যাওয়া মহিলাদের ওপর বিশেষ গুরুত্ব রাখা প্রয়োজন।

Leave a Reply

%d bloggers like this: