10ti-jinis-ja-gorvostar-somoy-kora-utchit

১. মদ্য পান করা

এই কাজটি ভুলেও করবেন না। এটা আপনার সন্তানের পক্ষে সাংঘাতিক ক্ষতিকারক হতে পারে। গর্ভাবতী মহিলাদের যে কোনো ধরনের মদের থেকে দুরে থাকা উচিত। আপনি যা পান করবেন তা রক্তের দ্বারা আপনার সন্তানের রক্তে পৌছে যাবে আর সে ফিটাল এলকোহল সিন্দ্রমে ভুগবে।এতে তার মানসিক ও শারীরিক অসুস্থতায় ভুগতে পারে।

২. ধূমপান

এটি আপনার ও আপনার সন্তানের ক্ষতি করতে পারে। আপনি নিকোটিন, কার্বন মনোক্সাইড জাতীয় রসায়ন শোষণ করবেন ও আপনার থেকে তা বাচ্চার শরীরে যাবে। ধূমপান করলে অকাল জন্ম, গর্ভপাত, প্লাসেনটাল সম্পর্কচ্ছেদ ও সন্তানের জন্মের পর মৃত্যুর আশঙ্কা থাকে। প্যাসিভ স্মোকিং এর ও একই ফল।

৩. নেশা

যতই কষ্ট হোক, গর্ভাবস্থার সময় বেআইনী ওষুধ নেবেন না, প্রসবে অসুবিধে হতে পারে। অকাল জন্ম ও গর্ভপাত হতে পারে। নিজের অসুস্থ সন্তানকে কোলে নেওয়ার ব্যথা অসহ্য, সেই ব্যথা নিজেকে দেবেন না।

৪. মানসিক চাপ

নিজের পেটে সন্তানের যত্ন রাখা বড় দায়িত্ব এবং চাপ তো থাকবেই। ধ্যান করে নিজেকে শান্ত করুন নাহলে বাচ্চার ক্ষতি হতে পারে। মানসিক চাপে অনিদ্রা ও কোষ্ঠকাঠিন্য হতে পারে। হর্মোন পরিবর্তনেও মানসিক চাপ হতে পারে।

৫. পোষা প্রাণী

যদিও পোষা প্রানীদের আমরা খুব ভালবাসি তাও সাবধান থাকা ভালো। বিড়াল নিজে ক্ষতি না করলেও তার পায়খানায় টক্সপ্লাসমোসিস হতে পারে। সরীসৃপ বা উভচর পোষা থাকলে স্যালমনেলা জীবানুর ভয় থাকে। পাখিদের থেকে ক্যাম্পিলোব্যাকটর, ক্ল্যামিডোইসিস, প্রোটোজোয়ানের এবং স্যালমোনেলা মত সংক্রমণ হতে পারে।

৬. পোকামাকড় মারার ওষুধ

যদিও মশা ডেঙ্গু ও ম্যালেরিয়ার মত রোগ থেকে আপনার ক্ষতি করতে পারে, এবং ক্ষতিকারক হতে পারে। তারা আপনার কেন্দ্রীয় স্নায়ুতন্ত্র কে প্রভাবিত করে, যা মানব দেহে সবকিছু নিয়ন্ত্রণ করে। সুতরাং, বিপজ্জনক পোকামাকড় এবং তাদের মারার জন্য যে ওষুধ ব্যবহার করা হয় তার থেকে দূরে থাকা ভাল।

৭.দৌড়ানো

যদি দৌড়াতে হয় তবে শুধু প্রথম তিন মাস।তার পর দৌড়ালে সন্তান অস্বস্তি বোধ করবে বা আপনি পড়েও যেতে পারেন। যতটা পারবেন আরাম করুন।

৮. চিত্তবিনোদন পার্ক

গর্ভাবস্থায় ভুলেও চিত্তবিনোদন পার্কে যাবেন না। মজা নিশ্চই আসে তবে এগুলিতে আরোহণ করা ঠিক নয়। আকস্মিক ভাবে পড়লে বাচ্চা ব্যথাও পাবে এবং তার অকাল জন্ম হতে পরে।

৯. ওজন তোলা

বাজারের ব্যাগ হলেও সেটি তুলবেন না। স্বামীকে তুলতে বলবেন কেননা নিজে তুললে ব্যথা লাগতে পারে। বেশি ওজন তুললে প্রথম তিন মাসের মধ্যে গর্ভপাত হতে পারে এবং শেষের তিন মাসে অকাল জন্ম।

১০. মাছ

মাছে ওমেগা ৩-ফ্যাটি এসিড ও অন্য পুষ্টিকর জিনিস আছে। তবে সপ্তাহে ১২ আউন্সের বেশি মাছ খেলে শরীরে অত্যধিক পারা ঢোকার আশঙ্কা থাকে যা আপনার সন্তানের ক্ষতি করতে পারে। টুনা বা স্যামন খান যাতে পারা কম ও পুষ্টি বেশি হয়।

Leave a Reply

%d bloggers like this: