sisuder-thanda-laga-abong-sordi-kasir-theke-muktir-ghoroya-10ti-upay

১.হিমায়িত রাখা

(৬ মাস বয়সের বাচ্চাদের জন্য) শিশুদের ঠান্ডা লাগলে তাদের হিমায়িত করে রাখুন। কিছু সময় পর পর তাদের কে গরম সুপ অথবা গরম জল দিতে পারেন।

২.আজোয়ান এবং রসুন

আজোয়ান এবং রসুন একটি শুকনো পাত্রে নিয়ে গরম করুন। একটি নরম কাপড় নিয়ে গরম মিশ্রণটি ওর মধ্যে দিয়ে ভালোভাবে শক্ত করে কাপড়টি বেঁধে নিন এবং শিশুর বুকের ওপর ধীরে ধীরে ঘষে দিন। এটি ৬মাস বয়সের বেশি বাচ্চাদের জন্য। বাঁধা কাপড়টি শিশুর খাটের পশে রেখে দিন।

৩.আর্দ্র বায়ু

শ্বাসকষ্টের অনুভূতির উপশম করার জন্য, মৃদু বাতাসে শ্বাস নেওয়া গুরুত্বপূর্ণ। প্রাপ্ত বয়স্ক শিশু সজজে গরম বাস্প সরাসরি নিতে পারে কিন্তু ছোটদের জন্য ঘরে ব্যাবস্থা করতে হবে। যদি সম্ভব না হয় তবে শিশুটিকে গরম বাস্পপূর্ণ স্নানঘরে গরম জলে স্নান করান।

৪. শিশুর মালিশ

সর্ষের তেল বা শিশুদের জন্য যে তেল তার সাথে রসুন মিশিয়ে গরম করে শিশুদের মালিশ করুন। এতে তারা আরাম ও শান্তি হবে।

৫.উষ্ণতা

৬ থেকে ৮ মাসের বাচ্চার পায়ের নিচে ঘষে গরমকরে দিন, র সাথে মোজা পরিয়ে রাখুন।

৬. মাথা উঁচু করে রাখা

(ছয় মাসের নীচে শিশুর জন্য নয়) শিশুকে একটি অতিরিক্ত বালিশ প্রদান করে তাঁর মাথাটি উঁচুটা রাখুন।

৭.হলুদ

শিশুর মাথার উপর হলুদের প্রলেপ লাগাতে পারেন। কাশির জন্য, গরম দুধে একটি চিম্টি হলুদ গুঁড়ো মিশিয়ে শিশুকে দিতে পারেন।

৮. মধু

(শুধুমাত্র ১ এর বেশি বয়সের শিশুদের জন্য) কাশির জন্য মধু একটি প্রাকৃতিক উপকরণ। মধুর সাথে গরম জল মিশিয়ে একাধিক বার শিশুকে দেওয়া যেতে পারে। আপনি ১ চা-চামচ মধু, ১/৪ চামচ দারুচিনি গুঁড়ো মিশিয়ে কয়েকবার শিশুকে দিতে পারেন।

৯. কর্পূর

গরম নারকেল তেলের মধ্যে অল্প কর্পূর মিশিয়ে কয়েক ফোঁটা আপনার শিশুর বুকে মালিশ করুন। কর্পূর আপনার শিশুর ত্বকে অস্তত্বি জাগাতে পারে তাই খুব অল্প পরিমানে কর্পূর বেবহার করুন।

১০.ঢেঁড়স

৬ মাসের বেশি বাচাদের জন্য আপনি কিছু ঢেঁড়স সেদ্ধ করে ঠান্ডা করে নিন। এবং অল্প পরিমানে আপনার শিশু কে দিন।

Leave a Reply

%d bloggers like this: