gorbhabosthakalin-11ti-oprostute-porar-moto-somossa-jar-apni-mukhomukhi-hote-paren-bangla

১. বাতকর্ম

এটি একটি খুবই স্বাভাবিক সমস্যা যা গর্ববতী মহিলারা মুহূর্তে মুহূর্তে সম্মুখীন হতে পারেন। কাজেই লজ্জা পাবেননা বা প্রস্তুতে পড়ে যাবেননা। আপনার শরীর এমন এক অবস্থায় থাকে যেখানে আপনি এটিকে রোধ করতে পারবেননা।

২. অতিরিক্ত ঘাম

বিশ্রামে থাকুন কি অল্প স্বল্প কাজ করুন, আপনি সারাক্ষণই পিঠে ঘামের দাগ অনুভব করবেন কারণ গর্ভাবস্থার সময় শরীরে প্রচন্ড পরিমানে তাপ সৃষ্টি হয় যার থেকে ঘাম হওয়াকে আপনি এড়াতে পারবেননা।

৩. প্রস্রাব হয়ে যাওয়া

গর্ভাবস্থার সময় একটু কাশলে বা হাঁচি দিলে বা হাই তুললে বা শরীরে একটু চাপ দিলেই প্রস্রাব বেরিয়ে আসার সম্ভাবনা থাকে। তাই আমাদের মতে এই সময় মহিলাদের ডাইপের বা মোটা ভোদার/ প্যান্টি পরে থাকার নির্দেশ দিয়ে থাকি।

৪. মুখে লালা জমা

গভবস্থার সময় মুখের ভেতরে অতিরিক্ত পরিমানে লালা সৃষ্টি হয়। ফলে এই সময় মাঝেই লালা ফেলার প্রবণতা আসে যেটা আপনার কাছে খুবই অস্বস্তিকর হতে পারে। তবে ভয় পাবেননা, ইটা অস্বাভাবিক কিছু না, গর্ভাবস্থার পর এই প্রবণতা কেটে যা।

৫.অস্বাভাবিক অংশে চুল গজানো

শুনতে লাগলেও এটা অস্বাভাবিক নয়; এই সময় মহিলাদের শরীরের বিভিন্ন অংশে অস্বাভাবিক ভাবে লোম বা চুল গজাতে পারে, যেমন হালকা গোঁফের রেখা, হাতে পায়ে অতিরিক্ত লোম হওয়া, মুখে লোম হওয়া, ইত্যাদি। অপ্রস্তুতে না পড়ে এই সময় সব চেয়ে ভাল উপায় হল ওয়াক্সিং। তবে খুশির কথা হল এই যে আপনার মাথার চুল আগের তুলনায় আর নরম এবং মসৃন হয়ে যাবে।

৬.অর্শ্বরোগ

গর্ভাবস্থার সময় শরীর গরম হয়ে যাওয়ার ফলে কোষ্টকাঠিন্য একটি সাধারণ সমস্যা যার বাড়াবাড়ি ফলস্বরূপ অর্শ্বরোগ ও দেখা দিতে পারে। এর থেকে নিস্তার পাওয়ার একমাত্র ভাল উপায় হল প্রচুর পরিমানে জল পান করা। এর ফলে শরীর ঠান্ডা হয়ে পায়খানাও পরিষ্কার হয় ও অর্শ্বরোগ থেকে মুক্তি পাওয়া যায়।

৭. ব্রণ

এই সময় মনে হয় যেন আবার নতুন করে যৌবন জড়িত সমস্যা ফিরে আসে। তারুণ্য থেকে যৌবনে পা দেওয়ার সময় ব্রণ এক অস্বস্তিকর সমস্যা যা কমতে অনেক দেরি হয় এবং কেউই নতুন করে সেই সমস্যার সম্মুখীন আর হতে চায়না। গর্ভাবস্থার সময় এই সমস্যার আবার পুনরাবৃত্তি হতে পারে। কাজেই এটা আপনার মন খারাপের্ কারন হতে পারে। বেশি করে জল পান করাই এই সমস্যা তাড়াতাড়ি নিস্তার করার ওষুধ হতে পারে।

৮.গড়ন কালচে হওয়ার সম্ভাবনা

আপনার গায়ের রঙ এই সময় স্বাভাবিক গড়নের তুলনায় কালচে হওয়ার সম্ভাবনা থাকে। শরীরে বেশি পরিমানে এস্ট্রোজিন হরমোন বেরোনোর ফলে মেলানিনের পরিমাণও বেড়ে যায় যার ফলস্বরূপ গড়ন চাপা হয়ে ওঠে। তবে গৰ্ভাস্থ হওয়ার পরই আবার আপনি আপনার আসল গড়ন ফিরে পাবেন।

৯. কোষ্টকাঠিন্য

গর্ভাবস্থার সময় দেখা যাবে অনেকটা সময় আপনি বাথরুমে কাটাচ্ছেন কারণ আপনার কোষ্ঠকাঠিন্যের সমস্যা দেখা যায়। এর একটিই উপায় হল বেশি পরিমানে জল পান করা।

১০. স্তন থেকে দুধ উপ্চে পড়া

অনেকসময়ই একজন গর্ভবতী নারী মা হওয়ার আগেই স্তন থেকে দুধ উপচে পড়ার সমস্যার সম্মুখীন হতে পারেন। ফলে হঠাৎ আপনি বুকের কাছে কাপড় ভেজা অনুভব করলে ঘাবড়াবেননা। এটাও একটি সাধারণ সমস্যা যা আপনি ব্রেস্ট প্যাডের দ্বারা আটকাতে পারেন।

১১. যৌন মিলন সংক্রান্ত সমস্যা

এই সময় আপনার যৌন মিলনের ইচ্ছে একেবারে কমেও যেতে পারে আবার দীর্ঘদিন যৌন মিলন না হতে পারার ফলে প্রচুর পরিমানে বেড়েও যেতে পারে। বরং দ্বিতীয় ক্ষেত্রেই সমস্যা বেশি বলেই মনে হবে কারণ আপনি স্বামীর পাশে শুয়ে কুন্ঠিত বোধ করবেন। এর সবশ্রেষ্ঠ উপায় হল স্বামীর সাথে এ বিষয় সরাসরি কথা বলা। তবে, মাতৃত্বের পর এই সমস্যা কেটে যায় ও আপনি স্বাভাবিক স্থিতিতে চলে আসেন।

Leave a Reply

%d bloggers like this: