ovivabokttor-7-ti-kotha-ja-apnor-sontanke-protoho-bola-uchit

১। নিজের মত হও

নিজস্বতা বজায় রাখা যে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ, কোন গম্ভীর বক্ত্রিতা ছাড়া কিভাবে তা বোঝান যাবে? আপনার সন্তানকে বলুন – “নিজের মত হও”। এটি বেশ আকর্ষকও বটে।

 

২। পৌঁছানোর পর আমাকে জানিও

এটি একটু বড় বয়েসের সন্তানদের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য। একটি বিষয় যা প্রায় সবসময় আপনার বাচ্চাকে বিরক্ত করে তা হল তার ভালো থাকার সংবাদ নিতে নিরবিচ্ছন্নভাবে আপনার ফোন করে যাওয়া। তাদের শেখান, কোথাও পৌঁছানোর পর আপনাকে খবর দিতে, এবং তার পরেও যদি তারা না শোনে, তাদেরকে সোজাসুজি বিরক্ত করুন।

 

৩। কেমন কাটল দিন?

আড়ষ্টতা কাটানোর জন্য এটা বেশ স্বস্তিদায়ক কথা, সে আপনার সন্তান স্কুলেই পড়ুক বা নার্সারিতেই পড়ুক।

 

৪। খাবার জিনিস নষ্ট কোরো না

আমি রসিকতা করে বলছি না, সত্যি। এই কথাটা দিয়েই আপনি দিন শুরু করুন। এর গুরুত্বের উপর জোর দিন এবং নিশ্চিত করুন যে আপনি অত্যন্ত গম্ভীরভাবে এটা বলছেন। আশা করি কিছুটা পর্যন্ত এই কথাতে কাজ হবে এবং সব খাবারটা নষ্ট হবে না।

 

৫। তুমি কী করতে চাও?

এই প্রশ্ন জিজ্ঞাসা করা যতই কঠিন হোক না কেন, এটা জানতে চাইতেই হবে। আপনার সন্তানের আগ্রহকে আপনাকে প্রাধান্য দিতে হবে, তা আপনি যতই ক্লান্ত হোন না কেন।

 

৬। হাল ছেড়ে দিও না

আপনাকে কিছু উৎসাহব্যাঞ্জক কথা বলতেই হবে। একজন স্বপ্নদর্শীকে জাগিয়ে তোলার এটাই গোপন অস্ত্র।

 

৭। আমি তোমাকে ভালবাসি

এই তিনটি সুন্দর শব্দের আর কোন বিকপ্ল নেই। যখনই চান, তখনই সন্তানকে এই কথা বলতে পারেন। তারা ঘুম থেকে উঠার সময়, দাঁত মাজার পর, স্নানের পর বা অন্য যেকোন সময়। কিন্তু দিনে অন্তত একবার এই কথাটি বলুন।   

Leave a Reply

%d bloggers like this: