shishur-pushti-jene-nin-3te-sobcheye-pushtikor-khaddo-ja-shishur-swastho-o-shokti-bikashe-sahajyo-kore

১. শণ গাছের বীজ

এটি একটি বাদামের গাছ যার মধ্যে প্রচুর পরিমানে ওমেগা ৩- ফ্যাটি অ্যাসিড ভরপুর এবং যা আপনার শিশুর মানসিক বিকাশে সাহায্য করে। শণ গাছের বীজ বাজারে গোটা এবং গুঁড়ো দুটি অবস্থাতেই পাওয়া যায় কিন্তু এর সর্বোচ্চ ফল পেতে গেলে গুঁড়ো অবস্থায় কেনাই ভাল কারণ এটি দিয়ে বিষিন্ন ভাবে সুস্বাদু খাদ্য আপনি পছন্দ মতো বানাতে পারবেন যেমন প্যানকেক। আপনার শিশু এটি খেতে ভাল ও বাসবে অথচ বুঝতেও পারবেননা যে সে একটি অতি পুষ্টিকর খাদ্য গ্রহণ করল।

ক. ওমেগা ৩ ফ্যাটি অ্যাসিড পেলে:

খ. ওমেগা ৩ ফ্যাটি অ্যাসিড না পেলে:

২. মিষ্টি আলু

মিষ্টি আলু শিশুদের শরীরের জন্যে সবচেয়ে পুষ্টিকর খাদ্যের মধ্যে একটি খাদ্য এবং এটি কিনতেও সস্তা। আলুর মধ্যে যেই ভিটামিন এ থাকে সেটি চোখের জন্যে খুবই ভাল এবং বিশেষ গুণ হল শরীর থেকে অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট কে দূরে রাখা। এর বিশেষ আকর্ষণীয় রঙ ও মিষ্টি স্বাদের জন্যে এটি শিশুদের কাছেও খুব প্রিয়। তবে, যত বড় হয়, প্রত্যেকেই আসতে আসতে মিষ্টি আলু খাওয়া বন্ধ করে দেয়। মিষ্টি আলু খাওয়ার সহজ পদ্ধতি হল হয় সেদ্ধ করে গোলা পাকিয়ে খাওয়া অথবা লম্বা লম্বা করে কেটে ভেজে খাওয়া।

৩. কালো শিম

শিমের মধ্যে প্রোটিন ভরপুর থাকে এবং তার সাথে ক্যালসিয়াম ও ফাইবার ও যা একটি শিশু সহজে কোনো খাদ্যে সহজে পেয়ে থাকেনা। শিম কিনতে গেলে যত কালচে রঙ পাবেন ততই তার উপকারিতা বেশি হবে। এছাড়াও শিম হৃদয়ের জন্যে খুব ভাল আর শরীরকে কোলেস্ট্রল মুক্ত রাখতে সাহায্য করে। আজকাল বাচ্চারা প্রায় ৭ থেকে ৯ বছরের মধ্যেই কোলেস্ট্রলের স্বীকার হতে শুরু করে।কাজেই, শিশুকে শিম খাওয়ানোর জন্যে তা পাতলা পাতলা করে কেটে নাচোস, অথবা চিজের সাথে ভেজে অথবা শুধু ডালের মধ্যে সেদ্ধ করে দিলেই তারা তা সুস্বাদু মনে করে খেয়ে নেবে।

 

Leave a Reply

%d bloggers like this: