shishuder-sordi-kashi-o-thanda-laga-theke-mukti-pawar-jonye-kichu-ghoroa-ayurvedic-podhyoti

১. মধু

একটু উষ্ণ গরম জলে আধ চা চামচ মধু মিশিয়ে আপনার শিশুকে খাওয়ান। মধু শরীরে জীবাণু রোধ করতে সাহায্য করে এবং আপনার শিশুর শরীরের রোধ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়িয়ে তোলে। তবে এই আয়ুর্বেদিক পদ্ধতিটি এক বছর বয়সের চেয়ে কম বয়সের শিশুদের জন্যে প্রযোজ্য নয়।

২. আদা

আদা যেকোনো মানুষের শরীরের জন্যেই খুব উপকারী। শিশুদের আদার গুন্ দেওয়ানোর জন্যে একটুখানি জলে ফুটন্ত অবস্থায় এক টুকরো আদা ফেলে দিন। যেই মাত্র সেই জল পুরোপুরি ফুটে যাবে তার মধ্যে এক চা চামচ মধু ফেলে দিন এবং জলটি স্বাভাবিক তাপমাত্রায় ফিরে আসার পর সেটি শিশুকে অল্প অল্প করে খাওয়ান।

৩. নোনতা জলের ফোটা

শিশুর ঠান্ডা লেগে যখন নাক বন্ধ হয়ে গিয়ে নিশ্বাস নিতে সমস্যা হয়, তখন এক কাপ জলে একটি চামচের ১/৪র্থ অংশ লবন মিশিয়ে একটি ড্রপার এর সাহায্যে কয়েক ফোটা সেই নোনতা জল শিশুর নাসিকায় ঢেলে দিন। এর ফলে জমে থাকা কফ আসতে আসতে নরম হয়ে বেরিয়ে আসে। তবে, এই পদ্ধতি দিনে ৪ বারের বেশি প্রয়োগ করবেননা।

৪. চমৎকারই কিছু মিশ্রণ

ক. একটুখানি গরম জলে ২-৩ কোয়া রসুন থেঁতো করে মিশিয়ে জলটি ঠান্ডা হয় অবধি রেখে দিন। তারপর সেই জলে একটুখানি মধু, এক চিমটি লাল লঙ্কার গুঁড়ো এবং কয়েক ফোটা পাতি লেবুর রস মিশিয়ে দিন। এই মিশ্রণটি শিশুকে যতবার খুশি খাওয়াতে পারেন।

খ. ফুটন্ত জলের মধ্যে এক চিমটি হলুদ মিশিয়ে জলটি ঠান্ডা হয় অবধি অপেক্ষা করুন। তারপর এতে একটুখানি গুড় অথবা ১/২ চামচ ঘি এবং এক চিমটি নুন মিশিয়ে দিন। এই মিশ্রনটিও আপনি আপনার শিশুকে যতবার খুশি খাওয়াতে পারেন কারণ এটি সর্দি লাগলে তা সরিয়ে তুলতে সাহায্য করে এবং এতে হলুদের উপস্থিতি আপনার শিশুর শরীরের জীবাণু রোধ করতে সাহায্য করে।

৫. ক্যামোমিল

এটি হল শিশুদের জন্যে তৈরী করা এক ধরণের হালকা চা। কাহামোমিলে টি ব্যাগ একটু উষ্ণ গরম জলে ১০মিনিট ভিজিয়ে রাখলে যেই চা তৈরী হয় সেটি শিশুদের খাওয়ালে তার গলার ভিতরের সংক্রমণকে রোধ করে। তবে এই পদ্ধতি ৬মাসের ওপরে শিশুদের জন্যেই প্রযোজ্য।

Leave a Reply

%d bloggers like this: