apnar-bachha-ki-nijer-angul-otyadhik-choshe

আঙ্গুল চোষা হল শ্রেষ্ঠ উপায় বাচ্চাকে শান্ত থাকা শেখানোর জন্য। আপনি যেই চেষ্টা করবেন তাকে থামাতে, অমনি সে বিহ্বল হয়ে আবার এক জিনিস করবে। প্রথম থেকেই জোর করে তাদের নিষেধ করতে থাকলে তারা আরো তাড়াতাড়ি বিদ্রোহী হতে শিখবে।

তার বদলে, আপনি খেয়াল রাখুন যে কখন কখন আপনার বাচ্চা মুখে আঙ্গুল দিচ্ছে। এই রুটিনটা বুঝে গেলেই চেষ্টা করুন, আসতে আসতে এই অভ্যাস কমিয়ে আনতে। যখনই সে মুখে আঙ্গুল দেবে, তখনই অন্য দিকে তার নজর আকর্ষিত করুন। যদি সে টিভির সামনে থাকে, তাহলে তাকে একটা মজার বল দিন খেলার জন্য, যাতে তার আঙ্গুলগুলি ব্যস্ত থাকে। যদি আপনার বাচ্চা শোওয়ার সময় মুখে আঙ্গুল দেয় তো তাকে গান বা গল্প শুনিয়ে চেষ্টা করুণ ঘুম পাড়াবার।

বাচ্চার আঙ্গুল চোষার স্বভাবের বিষয়ে চিন্তা করার বদলে নজর রাখুন যে সে কত জোর দিয়ে আঙ্গুল চুষছে। অল্প বয়েসে বাচ্চারা হাল্কা ভাবে তা করতে থাকে, কিন্তু একটু বড় হওয়ার পরে তারা জীব বা দাঁতের নড়ন আরও তীব্র করে তুলতে পারে। যদি আপনি লক্ষ্য করেন যে তারা খুব জোর দিয়ে এটা করছে, তাহলে চেষ্টা করবেন যেন চার বছর বয়েসের আগেই এই স্বভাব ছাড়ানো যায়।

স্থায়ী দাঁত গজানোর পর এই অভ্যাস থাকলে আপনার বাচ্চার দাঁত ও চোয়ালের আকার বিকৃত হয়ে যেতে পারে। ছয় বছর বয়েসের আগে আঙ্গুল চোষা সম্পূর্ণ ভাবে ছেড়ে ফেলতে তাকে উৎসাহিত করুন। যদিও সে জেদ করে এই স্বভাব চালিয়ে রাখার চেষ্টা করবে, তবুও আপনি তাকে ভালো ভাবে বুঝিয়ে এটা বন্ধ করানোর চেষ্টা করুন।

যখন আপনি বুঝতে পারছেন যে আপনার বাচ্চা আঙ্গুল চুষবে, তখন তার হাত অন্য কাজে ব্যস্ত করে তুলুন। এটা তার স্থায়ী দাঁত গজানোর আগে করতে হবে। মনে রাখবেন, জোর দিয়ে, বা বকাঝকা করে এই অভ্যাস ছাড়ানোর চেষ্টা করবেন না, এতে অবস্থা আরোই বিগড়ে যাবে।

Leave a Reply

%d bloggers like this: