apni-ki-gorbhabosthar-somoiy-ba-prosober-por-waxing-korchen-bangla

গর্ভাবস্থার সময়

প্রত্যেকটি মহিলাদেরই ইচ্ছে হয় তার মাথার চুল ও শরীরের ত্বকে যেন ঔজ্জ্বল্য বজায় থাকে। তবে গর্ভাবস্থার সময় আপনার ত্বক অন্য সময়ের তুলনায় অনেক বেশি সূক্ষ্ম থাকে এবং আপনার গর্ভ প্রসারিত হওয়ার ফলে ত্বকে অনেক বেশি টান পড়ে। তাই এই সময় ওয়াক্সিং করতে গেলে আপনার অন্য সময়ের তুলনায় অনেক বেশি ব্যাথাও অনুভব হতে পারে।

তবুও, গর্ভাবস্থার সময় আপনি যদি কোনোভাবে আপনার ত্বকের লোম নিয়ে ইতস্তত বোধ করেন, তবে আপনি অবশ্যই ওয়াক্সিং করাতে পারেন তবে অবশ্যই তা সাবধানতা অবলম্বন করে। আপনি কোন বিশেষ স্যালন বা পার্লারে যাচ্ছেন সেটার ব্যাপারে ভাল করে যাচাই করে নিন। এমন অনেক স্যালন বা পার্লার থাকে যেখাগর্ভবতী মহিলাদের জন্যে বিশেষ উপায় ওয়াক্সিংয়ের ব্যবস্থা থাকে। কাজেই সেখানে অন্যদের তুলনায় আপনার গর্ভাবস্থার কথা মাথায় রেখে যত্ন সহকারে ওয়াক্সিং করে দেবে।

গর্ভাবস্থার সময় ভুলেও ঘরে এই কাজটি করতে যাবেননা। যেহেতু আপনার ত্বক অনেক বেশি সূক্ষ্ম এবং প্রসারিত হয়ে থাকে ও বিশেষ করে আপনার স্তনের অংশও অনেক বেশি বেড়ে যাওয়ার ফলে আপনি বুঝে উঠে পারবেননা যে ঠিক কোন অংশে আপনি ওয়াক্সিং করাচ্ছেন। তাতে আপনার ত্বকে ক্ষতি হওয়ার প্রচুর সম্ভাবনা থাকবে ও রক্তপাত ও হতে পারে। এরকম পরিস্থিতি এড়িয়ে চলার জন্যে ভাল পার্লার এর সাহায্য নিন।

প্রসবোত্তর সময়

প্রসব হয়ে যাওয়ার পর আপনি হয়তো আপনার পূর্বাবস্থা ফিরে পাওয়ার আপ্রাণ চেষ্টা করবেন। যদিও টিভির পর্দার তারকাদের দেখে আপনার মনে হতে পারে যে এটি পূর্বাবস্থা ফিরিয়ে আনা বেশ সহজ কাজ, তবে বাস্তবে তা বেশ কঠিন। আমরা এটাই উপদেশ দিয়ে থাকি যে প্রসব হওয়ার ঠিক পরের মুহূর্তেই ওয়াক্সিং করতে যাবেননা। আপনার শরীর সবে একটি পীড়াদায়ক ও মানসিক চাপ কাটিয়ে ওঠে এবং সেই রেশ বেশ কিছুদিন আপনার শরীরে থাকে। কাজেই এর সাথে নতুন করে ওয়াক্সিং সংক্রান্ত কোনো কোনো পীড়া যোগ করতে যাবেননা। তাতে আপনার সূক্ষ্ম ত্বকে কাটাছেড়া বা রক্তপাত ও হতে পারে।

এই সময় কাটাছেড়া বা রক্তপাত হলে তা শুকোতে বা সেরে উঠতে বেশ খানিকটা সময় নেবে এবং বিশেষ করে তা যদি আপনার গোপনাংশ হয়ে থাকে। তাই, কম করে ৮ থেকে ৯ মাস অবধি অপেক্ষা করে যাওয়াই ভাল। 

Leave a Reply

%d bloggers like this: