gorbhabosthay-ghumer-chokro-xyz

হরমোন

বিজ্ঞান আমাদের এই বিশাল তথ্য দান করেছে যে গর্ভাবস্থায় শরীরের সব গন্ডগোলের কারণ হল হরমোন। তা মানসিক ও শারীরিক স্থিতি থেকে শুরু করে দৈনিক জীবনের আরও অনেক জিনিস। তার মধ্যে সবচেয়ে বেশি আক্রান্ত হয় ঘুম!

প্রজেস্তেরণ, ইস্ত্রজেন, মেলাটোনিন, প্রলাক্তিন ও অক্সিতসিন গর্ভাবস্থায় মহিলাদের শরীরের অনেক সাহায্য করে তবে এর মধ্যে হারিয়ে যায় মহিলার নিদ্রা!

প্রজেস্তেরণ হরমোন মসৃণ পেশীকে শিথিল করে। তার ফলে নাক বন্ধ হয়ে যায়, বুকে ব্যথা করে এবং একাধিক বার বাথরুম যেতে হয়। তবে এটার কারণে মানুষ স্বপ্ন কম দেখে ও ঘুম খুব তাড়াতাড়ি চলে আসে!

অন্যদিকে ইস্ত্রজেন রক্তনালী বিস্তৃত করে! এর জন্য রাতে ঘুমনোর সময় শ্বাসকষ্ট হয় এবং পা ফুলে। তাতে ঘুম আরও কমে যায়।

অত্যাধিক মেলাতোনিন ও প্রলাক্তিনে ঘুম বর্বাদ হয়। অক্শিতসিনে পেটে ব্যথা হয় এবং ঘুম ভেঙ্গে যায়।

 

গর্ভাবস্থার ত্রৈমাসিক সময় ঘুম ক্ষতিগ্রস্ত

প্রথম তিন মাস:

প্রথম তিন মাসে রাতের ঘুম ও সকালের ঘুম দুটিই অত্যাধিক হয় কিন্তু বার বার ঘুম ভেঙ্গেও যায়।

পরের তিন মাস:

৪ থেকে ৬ মাসের গর্ভাবতিরা রাতে খুব আনন্দে ঘুমোয় তবে শেষের দিকে ঘুম আবার শিথিল হয়ে যায়।

শেষের তিন মাস:

শেষের তিন মাসে রাতে প্রায় ঘুম আসেই না তবে সকালের দিকে ভালো ঘুম হয়!

প্রথম তিন মাসে সকালের অসুস্থতা, স্তনের কোমলতা, অত্যাধিক খিদে ও পিঠে ব্যথার জন্য ঘুম কমে যায়। যাদের শরীরে লোহা কম তাদের আরো ক্লান্তি ও কষ্ট হয়।

পরের তিনটে মাস সবচেয়ে সুখের! শুধু শেষের দিকে পেটে ও বুকে ব্যথা হবে ও নাক বন্ধ থাকতে পারে।

শেষের তিনটে মাস সবচেয়ে কষ্টের। পায়ে, পিঠে, বুকে ও পেটে ব্যথা, একাধিক বার বাথরুম যাওয়া ও শোয়ার অসুবিধা, সবই হবে!

সবার গর্ভাবস্থাই আলাদা ও সবার সব কিছু হয় না। চেষ্টা করবেন অনেক গুলি বালিশ কাছে রাখার কারণ সেটা খুব আরামদায়ক হয়! নিজের সুবিধা মত খাবেন, হাটবেন ও বই পরবেন, এতে মন ভালো থাকবে!

মাথায় রাখবেন এই সময় সবচেয়ে বড় সাহায্য করতে পারে স্বামী ও পরিবার। এরাই আপনাকে এই ৯ মাস আনন্দে রাখবতে পারে! আপনি খুব একটি মহৎ কাজ করতে চলেছেন তাই আনন্দে ও খুশিতে থাকুন!

Leave a Reply

%d bloggers like this: