10-ti-khabar-ja-kokhonoi-apnar-shishuke-khaowaben-na

১. গরুর দুধ

দুধে ল্যাক্তজ জাতীয় জিনিশ থাকে যা হজম করা মুশকিল ও শিশুর পেট খারাপ হতে পারে। গরুর দুধে অত্যাধিক প্রোটিন ও সোডিয়াম থাকে যা শিশুর শরীর নিতে পারে না। কিন্তু দুগ্ধ জাতীয় উপকরণ যেমন দই বা পনির সহজে হজম হয়ে যায়। প্রস্তাবিত ভাবে ১ বছর বয়েসের পর থেকে আপনি আপনার শিশুকে দিতে পারেন।

২. বাদাম

৪ বছরের নিচে শিশুরা ঠিক চিবোতে পারে না ও তাই বাদাম গলায় আটকে যেতে পারে। তা ছাড়া বাদামে অনেকের এলার্জি থাকে তাই ডাক্তারের সাথে পরামর্শ করে খাওয়াই ভালো। প্রস্তাবিত ভাবে ৪ বছর বয়েসের পর থেকে আপনি আপনার শিশুকে দিতে পারেন।

৩. সাইট্রাস বা ত্বক জাতীয় ফল

এতে এলার্জি না হলেও অত্যাধিক এসিডের কারণে পেটে অস্বস্তি হতে পারে। অল্প পরিমানে লেবু বা আনারসের রস দিলে ঠিক আছে। কিন্তু গোটা ফল দেবেন না। প্রস্তাবিত ভাবে ৬ মাস বয়েসের পর থেকে আপনি আপনার শিশুকে দিতে পারেন।


৪. স্ট্রবেরি

কাঁচা স্ট্রবেরিতে শিশুদের এলার্জি হতে পারে। রান্না করে দিলে ঠিক আছে, কেননা তাপে হানীকারক প্রোটিন গলে যায়।প্রস্তাবিত ভাবে ৬ মাস বয়েসের পর থেকে আপনি আপনার শিশুকে দিতে পারেন।


৫. মধু

মধুতে ক্লাস্ত্রিদিয়াম জীবানু থাকে যা শিশুর পেটে বিজগুটি তৈরী করে যাতে শিশু খাদ্যাদি বিষাক্ত হতে পারে। প্রাপ্তবয়স্ক লোকেদের পেটের ক্ষমতা আছে এই জীবানুগুলিকে মারার কিন্তু শিশুর পেটে সেই ক্ষমতা নেই। তাই মধু খেলে শিশুর পেটের ক্ষতি হতে পারে। প্রস্তাবিত ভাবে ১ বছর বয়েসের পর থেকে আপনি আপনার শিশুকে দিতে পারেন

৬. ডিমের সাদা

ডিমের সাদা ভালো করে রান্না না করলে সালমোনেলা জীবানু আক্রমন করে ও পেট খারাপ হতে পারে। প্রস্তাবিত ভাবে ১ বছর বয়েসের পর থেকে আপনি আপনার শিশুকে দিতে পারেন।

৭. কাঁচা সবজি

গাজর ও আঙ্গুর শিশুর গলায় আটকে যেতে পারে। তাই গাজর, শ্বসা ও ফুলকপি ছোট করে কেটে রান্না করে খাওয়াবেন। প্রস্তাবিত ভাবে ৬ মাস বয়েসের পর থেকে আপনি আপনার শিশুকে দিতে পারেন।


৮. মাছ

যদি পরিবারে এলার্জির ধাত থাকে তো শিশুকে চিংড়ি বা কাকড়া খেতে দেবেন না। ডাক্তারের পরামর্শ নিয়ে খাবার ঠিক করবেন। প্রস্তাবিত ভাবে ১ বছর বয়েসের পর থেকে আপনি আপনার শিশুকে দিতে পারেন।

৯. চিনি

চিনি অল্প দিলে ঠিক আছে। কিন্তু বেশি দিলে দাঁত খারাপ হতে পারে। তার থেকে মিষ্টি ফল দেওয়া ভালো। প্রস্তাবিত ভাবে ১ বছর বয়েসের পর থেকে আপনি আপনার শিশুকে দিতে পারেন।

১০. চটচটে খাবার

এই ধরণের খাবার গলায় আটকাবার সমূহ সম্ভাবনা। গুর, পায়েস, লজেন্স বা জ্যাম সহজেই শিশুর গলায় আটকে যাবে। প্রস্তাবিত ভাবে ১ বছর বয়েসের পর থেকে আপনি আপনার শিশুকে দিতে পারেন।

Leave a Reply

%d bloggers like this: