kothin-jatio-khadder-suchona-xyz

আপনার সন্তানকে বুকের দুধ খাওয়ানোর সাথে আপনি চিন্তা করছে যে কবে থেকে বা কোন সময়ে শিশুকে অন্য খাবার খাওয়াবেন এবং সেই নিয়ে উদ্বিগ্ন। সুতরাং কবে থেকে এবং সঠিক সময় কোনটি? চিন্তার কারণ নেই, এখানে তেমনি কিছু বিষয় নিয়ে আলোচনা করা হলো।

কবে থেকে শুরু করবেন?

ঠিক আছে, এই বিষয়ে কয়েকটি কথা আছে। প্রথম এবং সম্ভবত সবচেয়ে আকর্ষণীয় যখন আপনার শিশুর জিহ্বা তীব্র প্রতিক্রিয়া দেয়। যদি আপনি দেখে থাকেন, তবে আপনার বাচ্চা অন্য স্বাদ গ্রহণ করতে চায়, এটা আপনার মনে হতে পারে। অন্য প্রকার স্বাদ আপনার শিশু কি ভাবে গ্রহণ করবে তা সম্পূর্ণ তাঁর ওপর নির্ভর করছে। ধীরে ধীরে, প্রায় ৪ থেকে ৫ মাস পর, আপনার শিশুকে কঠিন সবুজ খাদ্য দিতে পারেন।

অন্য কিছু বিষয়ের দিকে লক্ষ্য রাখুন:

আপনার শিশু নিজের মাথা হাত দিয়ে ধরতে পারে? সে কি কোনোকিছুর সাহায্য ছাড়াই বসতে পারে? সে কি অন্য কোনো খাবার খেতে আগ্রহী? সে কি মুখের মধ্যে খাবার রেখে দেয়? ৪ থেকে ৬ মাসের বাচ্চার মধ্যে এমন লক্ষণ দেখতে পেলে বুঝবেন তারা কঠিন খাদ্য খেতে প্রস্তুত।

কোথা থেকে শুরু করবেন?

প্রথম জিনিস হলো, কোনো কঠিন খাবার বুকের দুধের পরিবর্তে হতে পারে না। আপনার সন্তানের কাছে কঠিন খাদ্য হিসেবে বুকের দুধই উপযোগী। মায়েদের জন্য আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো কঠিন খাবার মানেই সেটা কঠিন খাদ্য থেকেই আসে না, তরল জাতীয় খাদ্য কঠিন খাদ্য হিসেবে কাজ করে থাকে। সুতরাং এটি নিয়ে ভুল করবেন না।

মজাদার বিষয় হলো খাবার নিয়ে পরীক্ষা করা। সুবর্ণ নিয়ম অনুযায়ী প্রথমে শস্য জাতীয় কিছু খাদ্য এবং পরে ফলমূল বিশেষ কিছু খাদ্য শিশুদের খাওয়ানো হয়ে থাকে সেটা বিভিন্ন রকমের স্বাদের হতে পারে, মায়েদের সেটা বুজতে হবে। পরীক্ষা করে আপনি যে খাবার গুলো খাওয়াচ্ছেন সেটা ১ থেকে ২ দিন লক্ষ্য করুন। যদি দেখেন সেই খাদ্য গুলো থেকে কোনো চুলকানি, ডায়রিয়া, বা এমন ধরণের কিছু হয়ে থাকে তবে তৎক্ষণাৎ সেই খাবার বন্ধ করে দিন, এবং ডাক্তারের সাথে শলাপরামর্শ করুন।

কি ভাবে শুরু করবেন?

শুরুর দিকে আপনি চামচ বা ঝিনুক ব্যবহার করতে পারেন। আপনার সন্তানের মুখে ঝিনুক দিয়ে খাওয়ানোর সময় সেটি ওপর দিকে তুলে ব্যবহার করুন। যদি সে মুখ না খোলে তবে তার গাল টিপে খাওয়ানোর চেষ্টা করতে পারেন। এটা সাধারণ জিনিস যে আপনার সন্তান খাতে চাইবে না কিন্তু আপনাকে বারংবার চেষ্টা করে যেতে হবে। কিছু নতুন ধরণের চিন্তা ভাবনা করতে হবে। কিছু কিছু জিনিস যেমন ডিম্, মাছ, মধু, বাদাম ইত্যাদি গুলি এলারজির কারণ হতে পারে। চাল জাতীয় খাবার আপনি এই সময়ের খাওয়াতে পারেন যেটা আপনার সন্তানের বৃদ্ধির জন্য উপযোগী হতে পারে।

মায়েরা খুব সহজ ভাবে নিন, ছোট ফুসকুড়ি বা হাম জাতীয় কোনো জিনিস আপনার সন্তানের হলে সেটাই শেষ নয়। সেই সময় একটু বেশি যত্ন দরকার পরে, তাই উন্মুক্ত চিন্তাধারা রাখুন। এর ১ মাস বা তার কিছু পরে কঠিন খাবার খাওয়াতে পারেন। সুতরাং ভয় পাবেন না, যতটা সম্ভব সতর্কতা মূলক পদক্ষেপ অবলম্বন করা যায় ততই ভালো। 

Leave a Reply

%d bloggers like this: