gorbhabosthar-sesh-tin-mash-ki-ki-khawa-baron-bangla

গর্ভাবস্থায় খাবার ও জামা কাপড় থেকে শুরু করে সব কিছু বদলাতে হয়।আপনি যা খাবেন তা আপনার শিশুর ভালও করতে পারে আবার ক্ষতিও করতে পারে; তাই এই সময় সব খাবার ডাক্তারকে জিজ্ঞেস করে খাবেন। আপনার কোনো ক্ষতি মানেই শিশুর ক্ষতি। গর্ভাবস্থার শেষ ৩ মাসে খুব সাবধানতা অবলম্বন করে ফল, সবজি বা পানীয় জাতীয় জিনিস গ্রহণ করা প্রয়োজন।নিচে যা যা দেওয়া আছে তা খাওয়া একেবারেই নিষেধ।

১. কাঁচা সবজি

 

গর্ভাবস্তায় বদহজমের জন্য গ্যাস ও এসিডিটি হয়। সবজি খাওয়া খুব ভালো কিন্তু তা যেন অবশ্যই তাজা ও রান্না করাহয়। কাঁচা সবজি খেলে লাভের থেকে বেশি ক্ষতি হবে।

২. ঝাল খাবার

 

যদিও এগুলি খেতে খুব ই ভালো লাগে তাও শেষ তিন মাস ঝাল খাবার খেলে বুকে ব্যথা, এসিডিটি ও পেটে ব্যথা হতে পারে। গর্ভাবস্থায় লঙ্কা বেশি খেলে ফাইব্রিন কমে যায় ও রক্তপাত হতে পারে।

৩. নুন ও নুন পোড়া খাবার

নুন ছাড়া খাবারের স্বাদ বিগড়ে যায় কিন্তু বেশি খেলে ক্ষতি হতে পারে। বেশি নুন খেলে ক্যালসিয়াম কমে যায় ও রক্তের চাপ বেড়ে যায়। এতে প্রি এক্লাম্প্সিয়া হতে পারে।

৪. মদ

কষ্ট হলেও মদের বোতলে হাত দেবেন না।এতে শিশুর ওজন কম হতে পারে ও ফিটাল এলকোহল স্পেকট্রাম ডিসঅর্ডারের কারণ হতে পারে:

স্পেকট্রাম ডিসঅর্ডারের ফলে নিচের এই লক্ষণগুলি শিশুর মধ্যে খুবই স্পষ্ট:

ছোট আকার

কানে শোনা ও বলার অসুবিধা

বেশি বড় মাথা

ঘুমের অসুবিধা

চেহারায় গরবর

রুগ্ন মস্তিস্ক

স্নায়বিক সমস্যা

৫. ক্যাফিন

শেষ তিন মাসে বেশি কফি খেলে শিশুর ওজন কম হতে পারে এবং মায়ের বুকে ব্যথা হতে পারে। ক্যাফিন প্লাসেন্টা হেড করে শিশুর রক্তে মিশে গিয়ে নানা রকম ক্ষতিকারক প্রক্রিয়া করতে পারে। এছাড়া মায়ের ঘুম কমে যায়, শিশুর ওজন কম হয়, ইত্যাদি।

এ বিষয়ে বিশদ জানতে এখানে ক্লিক করুন

এই পোস্টটি অনেক অনেক শেয়ার করুন ও সকলকে সতর্ক করুন।

Leave a Reply

%d bloggers like this: