7-ti-prosno-ja-mayera-gorbhabosthay-daktarke-kore-thaken

এই সময়টি আপনার ও আপনার স্বামীর জন্য সম্পূর্ণ নতুন একটি অভিজ্ঞতা এবং তাই আপনার মনে অনেক প্রশ্ন থাকতে পারে। এই সব উত্তরই ডাক্তার আপনাকে দিয়ে দেবেন। দেখে নিন কোন প্রশ্নগুলি হবু মায়েরা সব চেয়ে বেশি জিগ্গেস করেন:

১.পেটে ব্যথা এবং রক্তপাত হওয়া কি স্বাভাবিক?

প্রথম তিন মাসে হালকা রক্তপাত ও ব্যথা হতে পারে কিন্তু মাসের পর মাস হলে ডাক্তারকে দেখানো জরুরি। এই সময় যোনির কোনোরকম সংক্রমণ হতে পারে বা কোনো কোনো সময় একটোপিক গর্ভাবস্থা হতে পারে। কাজেই ডাক্তারি পরামর্শ অবশ্যই নেবেন।

২. গর্ভাবস্তায় কতটা ওজন বৃদ্ধি স্বাভাবিক?

এই প্রশ্নের উত্তর গর্ভাবস্থার আগের বি এম আই দেখে বলা হয় যেটা আপনার ওজন ও উচ্চতার ওপর নির্ভর করে।

কম ওজন(বি এম আই<১৮.৫)

১২-১৮ কেজি

স্বাভাবিক ওজন(বি এম আই ১৮.৫-২৪.৯)

১১-১৫ কেজি

একটু বেশি ওজন(বি এম আই ২৫-২৯.৯)

৬-১১ কেজি

সাংঘাতিক বেশি ওজন(বি এম আই>৩০)

৪-৯ কেজি

৩. গর্ভাবস্থায় কি কি ব্যায়াম করা যায়?

গর্ভাবস্থায় এমন ব্যায়াম করবেন যেখানে পরে যাওয়ার আশংকা নেই; যেমন যোগ,হাঁটা বা সাঁতার কাটা। তবে খুব বাড়াবাড়ি পরিশ্রম করতে যাবেন না যাতে ক্ষতি হতে পারে। এতে আপনি ও আপনার শিশু দুজনেই সুষ্ট থাকবেন!

৪. গর্ভাবস্থায় কতদিন চাকরি করা যায়?

যদি আপনার চাকরি খুব ক্লান্তিকর হয় তো বেশি দিন করবেন না যাতে শিশুর ক্ষতি হয়। ক্লান্তি কম থাকলে পুরো ৯ মাস করতে পারেন। যদি মনে হয় এই সময় মানসিক চাপ বেশি নিতে পারছেন না তো নির্দিধায় ছুটি নিয়ে নিন।

৫. প্রসবের পদ্ধতি ঠিক করা

নিজেকে প্রসবের পুরো ব্যাপারের সাথে পরিচিত করুন যাতে সেদিন ভয় না পান। যতই গর্ভাবস্থায় সমস্যা থাকুক, তাও সব কথাবার্তা আগেই বলে নিন।

৬. প্রসবের সময় কি কি হতে পারে?

আপনি হাসপাতালে জন্ম দেবেন না বাড়িতে তার ওপর অনেকটা নির্ভর করে। হাসপাতালে নার্সরা বার বার এসে আপনাকে দেখে যাবে এবং দরকারী ইনজেকশন ও দিয়ে দেবে। বলাই বাহুল্য হাসপাতালে প্রসব হলে মায়ের চিন্তা কমে যায়!

 

৭. সি সেকশন হওয়ার সম্ভাবনা কতটা?

ডাক্তারের সাথে কথা বলে নিন কেননা ৩ জনের মধ্যে ১ জন মহিলার সিসেরিয়ান অপারেশন হয়। গর্ভাবস্থায় কি কি সমস্যা আছে তা বুঝে ডাক্তার আপনাকে বলে দেবেন যে অপারেশন করতে হবে কি না।

Leave a Reply

%d bloggers like this: