shishu-howar-por-je-7-ti-arthik-somosya-hoy-bangla

আপনি শিশুকে আনন্দে রাখতে চান ও সুস্থ রাখতে চান এবং তার জন্যে যত টাকা দরকার দেবেন। আপনার শিশুর ওপরে আপনার হয়তো কিছুই নেই। কিন্তু মাঝে মাঝে খরচা এমন বেড়ে যায় যে মা বাবারা হতাশ হয়ে যান! তাই সব থেকে ভালো হবে যদি আপনি এমন কারুর থেকে পরামর্শ নেন যে এই সময় দিয়ে নিজে গেছেন। এখানে সেরকম কিছু সমস্যা আমরা বলতে চাই।

১. প্রসবের সময়

স্বাভাবিক প্রসব ও সি-সেকশনের খরচার প্রচুর পার্থক্য। তার ওপর ডাক্তার যখন তখন ওষুধ ও ইনজেকশন কিনতে বলতে পারেন এবং খুব কম সময়ের মধ্যে।

২. বীমা কতটা দেবে

স্বাস্থ্য বীমা দরকারের এক পয়সা বেশি দেবে না এবং সেই ক্ষেত্রে কিছু খরচা আপনাকে নিজেকে দিতে হবে।

৩. বাচ্চার দরকারের জিনিশ

ডায়পার ও ফর্মুলা প্রচুর কিনতে হয়। ভালো এই হবে যদি সব কিছু জন্মের পর কেনেন যাতে আপনি বুঝতে পারেন যে শিশুর ঠিক কতটা লাগবে।

৪. আপিসের অবৈতনিক ছুটি

মায়েদের পক্ষে প্রসুতির ছুটি পাওয়া যত সহজ বাবাদের পক্ষে পিতৃত্বের ছুটি পাওয়া তত সহজ নয়! তাই বাবারা ছুটি নিলে বেতন কাটা যায়!

৫.আয়া

মা ও বাবা দুজনে চাকরি করলে তো আয়া রাখা আবশ্যক। কিন্তু মা বাবারা বোঝেন না যে এটা বিশাল খরচা!

৬. বিল

মা বাবারা খেয়াল করেন না কিন্তু সন্তান হওয়ার পর বেশি জল খরচা হয়,বেশি লাইট লাগে ও খাবারদাবার বেশি কিনতে হয়। সব মিলিয়ে খরচা ভয়ানক বেড়ে যায়!

৭. ডাক্তার ও কাউন্সেলিং

বেশির ভাগ সময় শিশু অসুস্থ থাকে ও ডাক্তার দেখাতে হয়। তা ছাড়া মা বাবা এই সময় খুব চাপে থাকেন ও তাই তাদের কাউন্সেলিং দরকার হতে পারে। এই খরচা ভুলে যাবেন না।

সন্তান হওয়ার পর সঞ্চয় কিভাবে করবেন তা জানতে এখানে পড়ুন

Leave a Reply

%d bloggers like this: