40-bochor-boyosher-por-pitritto-kemon-hoy-bangla

বর্তমানে পুরুষ মানুষরা ভালোভাবে তাদের কর্মজীবনা উন্নতি হয়ে যাওয়ার পরে, যথেষ্টভাবে আর্থিক দিক থেকে সমর্থ হয়ে বিবাহের সিদ্ধান্ত নেয়, এবং এটাও খুব স্বাভাবিক যে বিয়ের পর সঙ্গে সঙ্গেই কোনো দম্পতি সন্তান জন্ম দিতে চাননা। সকলেরই ইচ্ছে হয় কিছুদিন ভালোভাবে আনন্দ ভোগ করে একটি শিশুকে পৃথিবীতে আনার পূর্বে তার জন্যে যথেষ্ট আরামদায়ক মুহূর্ত তৈরী করে তবেই অভিভাবক হতে।

মহিলাদের পাশাপাশি পুরুষমানুষদেরও বয়সে বৃদ্ধি দেখা যায়। ফলে আগে যেখানে বড়োজোর ২৬ থেকে ২৯ বছর বয়সে পুরুষরা বাবা হয়ে যেতেন, এখন সেটি বৃদ্ধি হয়ে দাঁড়িয়েছে প্রায় ৪০; এমনকি, তার চেয়েও বেশি।

এখন প্রশ্ন হচ্ছে যে সেটি কতটা ঠিক বা ৪০ বছর বয়সের পর পিতৃত্ব কেমন হয়?

নারীদের ক্ষেত্রে উর্বরতার একটি বয়স সম্পর্কিত পতন আছে, যার জন্যে মহিলাদের দ্রুত সিদ্ধান্ত নিতে হয়। ক্রোমোসোমাল ডিসঅর্ডার গুলির ঝুঁকিও বয়সের সাথে বৃদ্ধি পায়।

কিন্তু পুরুষদের জন্য, ঝুঁকিগুলি কম স্পষ্ট বলে প্রমাণিত হয়েছে।

পুরুষদের ক্ষেত্রে বয়সের বৃদ্ধির সাথে সাথে শুক্রাণু পতনের গণনা কম হয়, কিন্তু তা বলে পিতৃত্বের ক্ষেত্রে এটি অতটা লাভদায়ক নয়।

কিছু রিপোর্টে পাওয়া গেছে যে অটিজম, মনস্তাত্ত্বিক অসুস্থতার ঝুঁকি, স্নায়ুকোষগত রোগ, ইত্যাদি বয়স্ক পিতা হওয়ার ফলে শিশুর মধ্যে বেশি পরিমানে দেখা যায়। এমনকি সন্তানের মধ্যে ক্রোমোসোমাল অস্বাভাবিকতাও পাওয়া গেছে।

এছাড়াও বেশি বয়সে পিতৃত্ব ততটা পরিমানে শিশুর জন্যে সুলুব্ধ বলে প্রমাণিত হয়নি, বরং শিশু ও পিতার মানসিকতায় অনেকটা বিভেদ এনে দেয়।

কাজেই আপনি যদি পরিবার পরিকল্পনা করে থাকেন, তাহলে এই তথ্যটির কথা অবশ্যই মাথায় রাখবেন।

এই পোস্টটি, সকলের সাথে শেয়ার করুন ও সচেতন করুন।

অভিভাবকত্ব নিয়ে কিছু পরামর্শ জানতে এখানে ক্লিক করুন

Leave a Reply

%d bloggers like this: