আপনার জীবনে ঘড়ির প্রভাব

আমরা অনেকেই বাস্তুমতে অনেককাজ কর্ম করে থাকি। যেমন বাড়ি তৈরী করার আগে অথবা কেনার আগে আমরা সেই স্থানের বাস্তু বিবেচনা করে থাকে। কিন্তু আপনি কি জানেন? আপনার সময় জানার জন্য যে ঘড়ি ব্যবহার করে থাকি তার মধ্যে বাস্তু নির্ভর করে।

আপনি বিভিন্ন ধরণের ঘড়ি ভালোবসেন এবং দেওয়ালে তা লাগিয়ে রাখেন। কিন্তু কোনদিকে ঘড়ি লাগাবেন? কি রঙের ঘড়ি ব্যবহার করবেন?

 আসুন জেনেনি কি করবেন আপনি!

নিজের বাড়িতে কোনো সময়ে বন্ধ ঘড়ি লাগিয়ে রাখবেন না, বন্ধ হয় গেলে তা খুলে রাখুন বা পুনরায় চালু করার ব্যবস্থা করুন।এমন কি নিজের হাতের ঘড়ি বন্ধ হয় গেলে তা পরে থাকবেন না. কারণ ঘড়ি আপনার পজিটিভ এনার্জি ওপর প্রভাব ফেলে।

আপনে ঘরের দক্ষিণ দিকে যে দেয়াল আছে সেখানে ঘড়ি টাঙাবেন না, অথবা দক্ষিণমুখী করে ঘড়ি লাগাবেন না। কারণ এই স্থানে ঘড়ি লাগালে পরিবারের ক্ষতি হতে পারে, উন্নতি হয় না এমন কি ঘরে থাকা মানুষের শরীর খারাপ বা অসুস্থ হতে পারে।

পশ্চিম দিকে মুখ করে ঘড়ি লাগালে আপনার বাড়ির মানুষদের জীবনের সাথে নতুন কিছু ঘটার সম্ভাবনা থাকতে পারে।

যদি আপনার জীবনে টাকা অপচয় বেশি হয় তবে উত্তর দিকে মুখ করে ঘড়ি লাগান, অপচয় বন্ধ হবে।

আপনার শোবার ঘরে গোলাকৃতি ঘড়ি লাগান, এয়ার ফলে আপনার গৃহ সুখশান্তি বজায় থাকবে।

যদি আপনি পেন্ডুলাম ঘড়ি ভালোবাসেন তবে অবস্যই সেই ঘড়ি আপনার বাড়িতে লাগান, কারণ বাস্তুমতে এই ধরণের ঘড়ি পরিবারের খারাপ সময় কাটিয়ে দেয় যা পরিবারের সদস্যের জন্য খুব শুভ হয়। সেই কারণে আমরা পুরোনো দিনে প্রায় প্রত্যকের বাড়িতে পেন্ডুলাম ঘড়ি দেখতে পেতাম।

আপনার নিজের বাড়িতে কমলা বা সবুজ রঙের ঘড়ি এবং দোকানে কালো বা ঘন নীল রংয়ের ঘড়ি কখনওই লাগাবেন না।

দরজার উপরে কখনও ঘড়ি লাগাবেন না। যার ফলে নেগেটিভ এনার্জির প্রভাব পড়ে। এবং পরিবারের সদস্যদের বিভিন্ন সমস্যায় পড়তে হতে পারে।

কখনোই বালিশের নীচে ঘড়ি রেখে ঘুমোবেন না। এর ফলে আপনার স্বভাবে নেতিবাচক পরিবর্তন আসতে পারে। যা আপনার জীবনে প্রভাব বিস্তার করে।

ঘড়ির সময় সঠিক রাখার চেষ্টা করুন। সময় একটু এগিয়ে বা পিছিয়ে রাখলে তা আপনার রোজকার জীবনে সাফল্য অথবা ব্যর্থতার কারণ হয়ে দাঁড়াতে পারে।

 

আপনাদের মতামত জানান, সুস্থ থাকুন ভালো থাকুন।

Leave a Reply

%d bloggers like this: