নতুন মায়েদের জন্য স্তন্যপান জড়িত কিছু পরামর্শ

স্তনদুগ্ধ শিশুকে সব থেকে বেশি পুষ্টি দেয় এবং তাই মায়েদের শিশুর এক বছর বয়স পর্যন্ত স্তন্যপান করানো উচিত! এই সময় কি কি হতে পারে ও কি কি করা উচিত একটু জেনে নিন।

১. ব্যথা হবে

ইটা আপনার শরীরের জন্য নতুন এবং শিশুও প্রথমেই খেতে শিখবে না। কষ্ট আস্তে আস্তে কমে যাবে।

২. ঈশারা খুজুন

প্রথমে শিশুকে বার বার স্তন্যপান করবেন কেননা শুরুর দিকে এক বারে অত বেশি দুধ থাকে না।যদি শিশু মুখে আঙ্গুল দেয় বা ঠোঁট চাটে তো বুঝবেন তার খিদে পেয়েছে!

৩. পেট ভরলো তো?

শিশুর ওজন বাড়লে আর বারে বারে পায়খানা হলে বুঝবেন তার পেট ভরছে!

৪. দুধ উত্পাদন বাড়াবেন কি করে?

যত বেশি স্তন্যপান করাবেন তত বেশি দুধ তৈরী হবে আর শিশুর খিদে মিটবে!

৫. দুধ একমাত্র খাবার

প্রথম ৬ মাস আর কিছু দরকার নেই-এইটি সব রোগকে আক্রমন করে!

৬. নিজের খেয়াল নিন

ভালো করে খাওয়া দাওয়া করবেন!স্তনে ব্যথা হলে তোয়ালে গরম জলে ভিজিয়ে বুকে রাখবেন। মনে করে বারে বারে জল খাবেন!

৭. কাজে ফিরলে?

দুধটা পাম্প করে ফ্রিজে ৩ দিন পর্যন্ত রাখতে পারেন! গরম করবেন না, শুধু তার ওপর গরম জল হালাবেন!

৮. স্তনবৃন্তের খেয়াল নিন

স্তনবৃন্তের ত্বক শুকনো হয়ে রক্ত বেরোতে পারে। তখন আপন অলিভ অয়েল বা স্তনদুগ্ধা দিতে পারেন তার ওপর।

৯. চিকিত্সক

নাম্বার হাতে রাখবেন যাতে অসুবিধে হলে ফোন করতে পারেন!

১০. সবার সামনেও করবেন দরকার হলে

বুকের ওপর তোয়ালে দিয়ে শিশুকে খাইয়ে দেবেন-এতে কোনো লজ্জা নেই!

Leave a Reply

%d bloggers like this: