শোওয়ার ঘর সম্পর্কে যেই সমস্ত কিছু আপনার জানা আবশ্যক

ঘুম আমাদের রোজগার জীবনের এনার্জি চার্জার যার অভাবে শরীরে অসম্ভব ক্লান্তি আস্তে পারে। বলা হয়, দিনে অন্তত ৭ থেকে ৮ ঘণ্টা ঘুমের প্রয়োজন হয় সব মানুষেরই। কিন্তু, বর্তমানে আমাদের জীবন এমনই গতিতে এগিয়ে চলেছে যে, নানা কারণে ঘুমের সময় কমে যাচ্ছে । তাই ৭ থেকে ৮ ঘন্টা না হোক, অন্তত ৬ ঘন্টা ঘুমোনো পুরোপরি আবশ্যক। কিন্তু অনেক ক্ষেত্রেই দেখা গেছে, এই ৬ ঘন্টা ঘুমও অনেকের জীবনে অসম্ভব হয়ে উঠেছে? আপনারা হয়তো ভাবতে পারেন এর পেছনে কোনো শারীরিক বা মানসিক কারণ আছে, কিন্তু সবসময় তা হয়না। তার সঙ্গে রয়েছে আনুসঙ্গিক নানা কারণও।

বৈজ্ঞানিকদের মতে, ঠিকমতো ঘুম না হওয়ার একটি অন্যতম কারণ হল মানসিক চাপ। অবশ্য তার সঙ্গে আরও একটি কারণ জুড়েছেন তাঁরা যে রাতে সুখনিদ্রার জন্য অনেকটাই দায়ী থাকে শোওয়ার ঘরের অন্দরসজ্জা। যেমন—

১। ঘরের রং

বসার ঘরে উজ্জ্বল রং ব্যবহার করতেই পারেন, কিন্তু শোওয়ার ঘরের রং হওয়া উচিত একেবারে হালকা। পছন্দের যে কোনও হালকা প্যাস্টেল রং ব্যবহার করুন। সঙ্গে মানানসই রঙের পর্দা।

২। চাদর ও বালিশ

খেয়াল রাখুন বিছানার চাদর যেন নরম হয়। বালিশের কভার সিল্কের হলে খুব ভাল হয়। এতে মাথার চুল ও মুখের ত্বকও ভাল থাকে। বিছানার চাদর ও বালিশের কভারও হালকা রঙের হলে ভাল হয়।

৩। বালিশ

বিছানায় প্রয়োজনের তুলনায় বেশি সংখ্যক বালিশ না থাকাই ভাল। মাথার বালিশ ও পাশবালিশ ছাড়া, বড়োজোর আর একটি বালিশ নিয়ে ঘুমোতে পারেন।

৪। ঘরের আলো

নাইট ল্যাম্প হিসেবে ঘরে লাল বা কমলা রঙের আলো ব্যবহার করাই ভাল। কারণ এগুলি সূর্যাস্তের সময়ে প্রকৃতির রং। প্রয়োজন পড়লে অন্ধকারেও ঘুমোতে পারেন, তাতে মুখে এরই কোনো এল পড়েনা ও পরিবেশ ঠান্ডা থাকে।

৫। ঘরের তাপমাত্রা

শোওয়ার ঘর অতিরিক্ত ঠান্ডা বা গরম হলে ঘুমের ব্যাঘাত ঘটতে বাধ্য। খেয়াল রাখুন সেই দিকেও। সারারাত এ সি চালিয়ে রাখার প্রয়োজন নেই; খানিক্ষন চালিয়ে রেখে ঘর শীতল হয়ে গেলে আবার বন্ধ করে দিন, দেখবেন ঘুম ভাল হচ্ছে।

৬। ঘর পরিচ্ছন্ন রাখুন

সব থেকে গুরুত্বপূর্ণ হল এটি। শোওয়ার ঘরের অবাঞ্ছিত জিনিস অবিলম্বে বিদায় করুন। ঘর পরিষ্কার পরিচ্ছন্ন রাখলে নিজেরও মন এবং মস্তিস্ক ঠান্ডা থাকে।

আপনার জীবন ঘড়ির প্রভাব

Leave a Reply

%d bloggers like this: