হাতের কোন আঙুলে আংটি পড়বেন না

আপনি কি বুড়ো আঙ্গুলে আংটি পড়তে ভালোবাসেন, কিন্তু জানেন কি এটি ঠিক নয়. কারণ রত্ন ধারণ বা আংটি পরা বিষয়ে জ্যোতিষের স্পষ্ট নির্দেশ রয়েছে যে কোন আঙুলে কোন রত্ন ধারণ করা উচিত এবং কোনটিতে নয়!

 

গ্রহরত্ন আপনি নানা উপায়ে ধারণ করতে পারেন। তাবিজ-কবচ-মাদুলি হিসেবে বাহুতে ধারণ করতে পারেন রত্নকে আংটিতে বসিয়ে তা আঙুলে ধারণ করতে পারেন। কিন্তু জ্যোতিষ শাস্ত্রমতে যে কোনো প্রকারে বাজার থেকে রত্ন কিনে তাকে আঙটিতে বসিয়ে যে কোনও আঙুলে ধারণ করা ঠিক নয়। রত্নের বিভিন্ন প্রকার রয়েছে, সে কারণে কোন রত্ন কোন ধাতুতে ধারণ করতে হবে, তার বর্ণনা করা রয়েছে। কোন আঙুলে কোন রত্ন ধারণ করা উচিত তা জ্যোতিষে বিশদভাবে উল্লিখিত।

প্রাচীন ভারতের জ্যোতিষ শাস্ত্রবিদরা বলেছিলেন, হাতের আঙুলগুলি কোনও না কোনও ভাবে দেহের কোনও না কোনও অংশের সাথে জড়িত। কোনো আঙুল মস্তিষ্কের এলাকাকে নিয়ন্ত্রণ করে। ফলে হরমোন ক্ষরণ আঙুলের উপরে নির্ভরশীল। অনামিকা, মধ্যমা, তর্জনি, এমনকী কনিষ্ঠাতে আংটি পরার নির্দেশ থাকলেও বৃদ্ধাঙ্গুষ্ঠ বা বুড়ো আঙুলে আংটি পরা এবং রত্নধারণকে নিষিদ্ধ বলে ঘোষণা করে জ্যোতিষ!

এই নিষেধের পিছনে গুরুত্বপূর্ণ কারণ রয়েছে। প্রাচীন শাস্ত্র অনুযায়ী মনে করা হয় যে, বুড়ো আঙুলের সঙ্গে মস্তিষ্কের যে অংশের যোগাযোগ রয়েছে, সেখান থেকে সুখানুভূতির হরমোন নিঃসৃত হয়, এবং এই আঙুলটি বুধ গ্রহের সঙ্গে জড়িয়ে আছে এবং বুধ বা ভেনাস গ্রহ প্রেমের বিষয়কে নিয়ন্ত্রণ করে। এই আঙুলে যে কোনও ধাতব স্পর্শ হরমোনের ক্ষরণকে ব্যাহত করে। জীবন থেকে সুখ হরণ হতে পারে। সেই কারণে বুড়ো আঙুলে আংটি অথবা অন্য কোনও রকম অলঙ্কার ধারণ করা নিষিদ্ধ।

Leave a Reply

%d bloggers like this: