মেয়েদের বাথরুমে স্নান করতে সময় লাগে কেন?

এই শিরোনামটি দেখেই হয়তো অনেকে নিজের সাথে মিল পেয়ে পড়ার জন্যে আগ্রহী হয়ে উঠেছেন বা যাদের এই অভ্যেসটি নেই, তারা অন্যের ব্যাপারে জানার জন্যে আগ্রহী হয়ে উঠেছেন। আপনারা হয়তো অনেক আড্ডা গল্প করার সময় এই বিষয়য়ের মুখোমুখি হয়েছেন যে মেয়েদের স্নান করার সময় এত সময় লাগে কেন? তারা কি কিছু চিন্তা করে? নাকি এতটাই সময় ধরে স্নান করে? এই বৈশিষ্টটি বিশেষ করে তরুণী মেয়েদের মধ্যে বেশি করে দেখা যায়!

সাম্প্রতিক এক সমীক্ষায় এমনই কিছু তথ্য পাওয়া গিয়েছে যে মেয়েরা স্নানের সময়ে এমন অনেক কিছুই চিন্তা করে যার কোনও ভিত্তি নেই। সেগুলি জানলে আপনি অবাক হয়ে যাবেন।

১। ভাবনার মধ্যে একটি হল, দিন দিন মোটা হয়ে যাচ্ছি। পেটের কাছটায় কেমন চর্বি জমছে। ডায়েট কন্ট্রোল করতে হবে। মজার, তাই না?

২। বাথরুম সিঙ্গার বলে তো অনেকেই পরিচিত। সেটিও ভাবনার একটি অংশ; আমি যদি একটু চেষ্টা করতাম তাহলে অনেক বড় শিল্পী হতে পারতাম। গানের গলাটা নেহাত খারাপ নয়।

৩। মেয়েদের শ্যাম্পু করাও একটি পরিকল্পনার মধ্যে পড়ে, তাই নয় কি? আজ কি চুলে শ্যাম্পু করার প্রয়োজন আছে? থাক দরকার নেই, দু’দিন পরে করলেও চলবে; না না করেই ফেলি।

৪। সময় হয়তো সত্যিই ফুরিয়ে আসে, তও একথাটি ভাবতে ভাবতেও তারা সময় হারাতে ভোলেন না; “হাতে সময় নেই। এখন কি চুলে কন্ডিশনার লাগানো ঠিক হবে? খুব চুল উঠছে। কী যে করি!”

৫। শরীর নিয়ে চিন্তা কার না হয়? তাই ভাবনাও সেরকমই- ইদানীং শরীরের একদমই যত্ন নেওয়া হচ্ছে না। খুব তাড়াতাড়ি একবার পার্লারে যেতে হবে।

৬। নিজেকে নিখুঁত ভাবে দেখতে দেখতে এবার চিন্তা হল ওয়েক্সিং করানো খুবই জরুরি। কিন্তু করাটা ঠিক হবে কি না বুঝতে পারছি না!

৭। স্নান করতে যাওয়ার আগে দেখার কথা না হয়নি, জনসন করতে করতে এটি মনে হবেই; আজ তোয়ালেটা ভেজা নয় তো? রোজই ভাবি শুকিয়ে রাখব আগে থেকে, মনে থাকে না।

৮। এবার স্নান তো হল, তও বেরোনোর নাম নেই। কারণ তখন যে তারা এটি দেখতে ব্যস্ত– “ইস্ গোটা বাথরুমটা ভিজে গিয়েছে। এত ভেজা বাথরুমে স্নান করতে একদম ভাল লাগে না।”

এই পোস্টটি ক্রাশ করি আপনার পড়ে খুবই মজা লেগেছে। তাহলে শেয়ার করুন বন্ধুদের সাথে আর ভাবুন এর কোনগুলি আপনার সাথে মেলে।

Leave a Reply

%d bloggers like this: