কিডনি স্টোন হওয়ার আগে প্রতিরোধ করুন এইভাবে

আজকের দিনে কিডনি স্টোন নিয়ে সমস্যা ঘরে ঘরে লেগে রয়েছে।

কি এই কিডনি স্টোন?

কিডনি স্টোন হল ছোট ছোট লবণ ও খনিজ পদার্থ যা কিডনির ভিতরে গঠিত এবং মূত্রনালীর ট্র্যাক্টের নিচে যেতে পারে। কিডনি স্টোন আকারে একটি পিং পং বলের মত হয়ে থাকে। কিডনি স্টোনের চিহ্ন এবং উপসর্গগুলি হল প্রস্রাবের রক্ত ​​ধারণ করা এবং পেটে ব্যথা, শ্বাসকষ্ট, বা ত্বক শুষ্ক হয়ে যাওয়া। প্রায় ৫% মানুষ তাদের জীবনকালের মধ্যে কিডনি স্টোন বিকাশ করে।

উপসর্গ

তলপেটে ব্যথা, প্রস্রাবে কষ্ট ইত্যাদি কিডনিতে স্টোনের উপসর্গ। ক্রমাগত ডিহাইড্রেশন ও জিনগত কারণে এই রোগ আধিপত্য পেয়ে বসে।

কিডনি স্টোনের মতো রোগ থেকে বাঁচতে জেনে নিন; কী খাবেন আর কী খাবেন না সবকিছুই জানা প্রয়োজন।

১. দিনে রোজ ৮ থেকে ১০ গ্লাস করে জল খান করুন।

২. খাবারে নুনের পরিমান কম করুন। সোডিয়াম জাতীয় খাবার প্রস্রাবে ক্যালশিয়ামের পরিমাণ বাড়িয়ে দেয় যারফলে কিডনিতে স্টোন হওয়ার সম্ভাবনাও বেড়ে যায়।

৩. আপনি কি রোজ দুধ খান? তাহলে এখনই কমিয়ে ফেলুন দুধ খাওয়ার পরিমাণ। অতিরিক্ত ক্যালশিয়ামের ফলে কিডনিতে স্টোন হওয়ার সডম্ভাবনা বেড়ে যায়।

৪. স্ট্রবেরি, চা, বাদাম ইত্যাদিতে অক্স্যালিক অ্যাসিড থাকে। এই অক্স্যালিক অ্যাসিড কিডনি স্টোন হওয়ার সম্ভাবনা বাড়িয়ে দেয়।

৫. ভিটামিন সি শরীরে গেলে তা অক্স্যালিক অ্যাসিডে পরিণত হয়। তাই ভিটামিন সি জাতীয় খাবার অর্থাৎ কমলালেবু, পাতি লেবু ইত্যাদি খাওয়া কমান।

৬. যাঁরা এই রোগে আক্রান্ত বা যাঁদের এই রোগে আক্রান্ত হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে, তাঁদের অবশ্যই মিষ্টি খাওয়া কমাতে হবে।

৭. মাছ, ডিম মাংসের মধ্যে থাকে পিউরাইন। শরীরে গিয়ে এই পিউরাইন ইউরিক অ্যাসিডে পরিণত হয়; অতএব এই খাবার বুঝে শুনে খান।

৮. চাল ও গমের খাবার আপনার জন্য সঠিক। প্রস্রাবে ক্যালশিয়ামের পরিমাণ কমাতে সাহায্য করে এই খাবারগুলি।

৯. চকোলেট, আইসক্রিম ইত্যাদিতে দুধ ও চিনি দুটোই থাকে। আর তাই এই খাবারগুলি থেকে দূরে থাকুন। 

এই সমস্যাগুলি দেখলেই বুঝবেন আপনার ওভারিয়ান/ডিম্বাশয় ক্যান্সার হওয়ার সম্ভাবনা আছে
ব্রেস্ট ক্যান্সারের প্রাথমিক লক্ষণগুলি জানুন এবং সময়মত সতর্ক হন

Leave a Reply

%d bloggers like this: