কোন খাবার শিশুর টিফিনের জন্য দেওয়া উচিত নয়

বাচ্চার টিফিনে রকমারি খাবার দিতেই পারেন তবে এমন কিছু খাবার রয়েছে যা কখনই ওর টিফিনে দেওয়া উচিৎ নয়। জানুন সে গুলি কি কি

১। জ্যাম ও পাউরুটি

টিফিনে জ্যাম পাউরুটি দেওয়ার মতো সহজ খাবার হয় না। কিন্তু আপনার সন্তানের জন্য পাউরুটির মত অস্বাস্থ্যকর খাবার খুব কমই আছে। কারণ হোয়াইট ব্রেডে কোনও ফাইবার নেই। তাছাড়া এ’তে রয়েছে বেনজোইল পারঅক্সাইড আর ক্লোরিন ডাইঅক্সাইড গ্যাসের মত ব্লীচিং এজেন্ট যেগুলো শরীরের জন্য বেশ ক্ষতিকর। এবং দোকান থেকে কেনা রকমারি জ্যাম বা জেলিতে রয়েছে প্রচুর পরিমাণে শুগার, সিন্থেটিক ফুড কালার আর প্রিজার্ভেটিভ। কাজেই টিফিন থেকে জ্যাম পাউরুটি পুরোপুরি বাদ দিন।

 

২। চীজ

দোকান থেকে যে চীজ কেনেন, তার প্যাকেটের গায়েই লেখা আছে যে চীজটা প্রসেস্‌ড। ফ্রেশ চীজ (যেমন পনীর) অবশ্যই স্বাস্থ্যকর কিন্তু সে’গুলো বেশিদিন প্যাকেট করে রাখা যায় না। যে সমস্ত চীজ দোকানে বিক্রি হয় তাতেও থাকে প্রচুর পরিমাণে প্রিজার্ভেটিভ থাকে। তাছাড়াও এই ধরণের চীজে থাকে ফুড কালার যা বেশ ক্ষতিকর।

৩। মাখন

টাটকা মাখন সাদা রঙের হয় এবং সে’টা দুই থেকে তিন সপ্তাহের বেশি রাখা যায় না। দোকান থেকে কেনা মাখন অনেকদিন রাখা যায় কারণ সেগুলোতে থাকে প্রচুর পরিমাণে নুন আর প্রিজার্ভেটিভ। তাছাড়া এই কেনা মাখনের হলুদ রঙের পিছনের রয়েছে সিন্থেটিক ফুড কলর। বাচ্চাকে যদি মাখন খাওয়াতে চান তাহলে ঘরে তৈরী করা সাদা মাখন খাওয়ান।

৪। দুধ

অনেক বাচ্চাদের স্কুলে যাওয়ার সময় গ্লাসে করে দুধ দিয়ে দেওয়া হয়। দুধ বাচ্চাদের জন্য উপকারী তা নিয়ে কোনও সন্দেহ নেই, কারণ দুধে আছে ক্যালসিয়াম আর অন্যান্য জরুরী পুষ্টি। কিন্তু দুধ যদি বাচ্চাদের স্কুল টিফিনের সঙ্গে দিতেই হয় তাহলে সে’টা আইস-প্যাকের সঙ্গে দিন কারণ দুধ সঠিক ভাবে না রাখলে নষ্ট হয়ে যেতে পারে।

Leave a Reply

%d bloggers like this: