হাঁচি আটকানোর ফলে কি কি বিপদ হতে পারে?

আমরা হাঁচি জিনিসটি নিয়ে বেশ লাজুক। জনবহুলের সামনে চেষ্টা করি এটি যাতে না হয়। তবে পুরোনো আমলে কেউ হাঁচি দিলে শুনবেন অনেকই বলেন, ‘ঈশ্বর আপনার মঙ্গল করুন’। কেন বলেন জানেন? কারণ, হাঁচি সত্যিই মঙ্গলকারক। হাঁচি আমাদেরকে গুরুতর কোনও সংক্রমণ থেকে রক্ষা করে। অন্যের সামনে হাঁচি দেওয়াটা অস্বস্তিকর হতে পারে কিন্তু সব সময়েই স্বাস্থ্যকর। মুখ চাপা দিয়ে তাই হেঁচে নিন। কারণ…

১। হাঁচি বন্ধ করলে শ্রবণ শক্তির ক্ষতির পাশাপাশি মাথা ঘোরার সমস্যা হয় যা খুব তাড়াতাড়ি ঠিক হয় না।

২। হাঁচির মাধ্যমে নাক দিয়ে ঘণ্টায় ১৬০ কিমি বেগে বাতাস বের হয়। জোর করে হাঁচি বন্ধ করা হলে সেই চাপ কানে যায় ফলে কানের পর্দা ফেটে পর্যন্ত যেতে পারে।

৩। হাঁচির আচমকা দমকা বাতাস বন্ধ করলে ঘারের আঘাতের ঝুঁকি বেড়ে যায়। সাইনাসের সমস্যা থাকলে আরও বিপজ্জনক।

৪। হাঁচি বন্ধ করলে চোখের সূক্ষ্ম শিরা ক্ষতিগ্রস্ত হয়। চাপের ফলে শিরা ফেটে যেতেও পারে।

৫। হাঁচির ফলে শরীরের ক্ষতিকর ব্যাকটেরিয়া বের হয়ে যায়। হাঁচি বন্ধ করা হলে, এই ব্যাকটেরিয়া শরীরে থেকে রোগ সৃষ্টি করে।

৬। হাঁচি বন্ধ করলে সবথেকে মারাত্মক বিপদ হচ্ছে মস্তিষ্কের শিরা ছিঁড়ে স্ট্রোক হতে পারে।

কারও সামনে হাঁচি এলে লজ্জা পাবেন না। এতে আপনাকে যে মূল্য দিতে হবে তা অপূরণীয়। বরং রুমাল হাতে রাখুন এবং হাঁচি দিন।

Leave a Reply

%d bloggers like this: