গর্ভাবস্থার জন্যে কিছু বিশেষ যৌন মিলনের অবস্থান

 

গর্ভধারণ করা অতটা সহজ ব্যাপার নয়। বহুবার দেখা গেছে যে স্বামীর সাথে খুব ভাল শারীরিক সম্পর্ক থাকার সত্ত্বেও বহু মহিলারা সহজে গর্ভধারণ করতে পারেন না। এর পেছনে কিছু শারীরিক জটিলতা তো থাককটেই পারে, কিন্তু যৌন মিলনের সময় বিশেষ কিছু অবস্থানের অভাবেও এই সমস্যা হতে পারে। আসুন দেখা যাক এমন কোন কোন অবস্ট্যান আপনার গর্ভাবস্থাকে সহজ করে তুলতে পারে।

মিশনারি

সবচেয়ে বহুল প্রচলিত সেক্স পজিশন যেখানে মেয়েরা থাকে নীচে ও ছেলেরা উপরে। এই পজিশনে পেলভিস তলার দিকে ঝুঁকে থাকে না। ফলে পেনিট্রেশন খুব গভীরে হয় এবং বীর্য খুব সহজেই সার্ভিক্সের কাছাকাছি পৌঁছয়। গর্ভধারণের সম্ভাবনা বেড়ে যায়।

ডগি স্টাইল

পেনিট্রেশন সবচেয়ে বেশি। তাই গর্ভধারণের সম্ভাবনাও সবচেয়ে বেশি।

গ্লোয়িং ট্র্যাঙ্গেল

এই পজিশনে মেয়েদের শক্তির প্রয়োজন বেশি হয় কেননা তাঁদের কোমরের ওঠানামার উপরেই নির্ভর করে পেনিট্রেশন। পুরুষসঙ্গী উপরে থাকলেও নীচ থেকে মুভমেন্টের দায়িত্ব থাকে সঙ্গিনীর উপরেও।

রক অ্যান্ড রোলার

মেয়েটি থাকে নীচে। কিন্তু পা দু’টি থাকে তার মাথার উপরে। অনেক গভীরে, জি-স্পটে সহজেই হিট করতে পারে পুরুষাঙ্গ।

ম্যাজিক মাউন্টেন

এটি অনেকটাই ডগি স্টাইলের মতোই। তবে এক্ষেত্রে মেয়েটির নিতম্ব অনেকটা উঁচু হয়ে থাকে এবং কোমর থেকে ঝুঁকে যায় অনেকটাই সামনের দিকে। এই পজিশনেও অনেক গভীরে পেনিট্রেশন হয়।

স্পুনিং

পাশ ফিরে সঙ্গিনীকে জড়িয়ে থেকে পিছন দিক থেকে পেনিট্রেশন। মেয়েদের পেলভিস অনেকটা ৯০ ডিগ্রি কোণে বেঁকে থাকে। এতেও সার্ভিক্সের গভীরে সহজেই পৌঁছয় বীর্য।

প্লাউ

হাতের উপর ভর দিয়ে শরীর ও পা দু’টিকে তুলে দেয় মেয়েরা। পা দু’টিকে ফাঁক করে নিয়ে পেনিট্রেশনের দায়িত্ব ছেলেদেরই।

বাটারফ্লাই

মেয়েরা শুয়ে থাকে। নিতম্বের তলায় একটি বালিশ রেখে পেলভিসটি উঁচু করে দিতে হয় যাতে অনেকটা গভীরে পৌঁছয় এবং বীর্য অনেকটা বেশি সময় থাকে যোনিতে। বিছানার প্রান্তে পেলভিসটি রেখে শুতে হয় মেয়েদের। ছেলেরা দাঁড়িয়ে থেকে মেয়েদের পা দু’টি তুলে নেয় কাঁধে। এই পজিশনে যোনির ভিতরে বীর্য অনেক বেশি সময় থাকে, সহজে বাইরে স্পিল করে না।   

Leave a Reply

%d bloggers like this: