সুখী দাম্পত্য জীবনের ওপর বাস্তুর প্রভাব

প্রেমের সংজ্ঞা দিতে গিয়ে কবি, লেখক, মনোবিজ্ঞানী, দার্শনিকরা বিভিন্ন সময়ে বিভিন্ন মতামত দিয়েছেন। কেউ বলেছেন, বন্ধুত্বের গভীরতর পর্যায়ের নামই প্রেম; কেউ বলেছেন, পারস্পরিক বিশ্বাসের সঙ্গে ভালবাসার বন্ধনের অপর নাম প্রেম; আবার কেউ দাবি করেছেন, একে অপরের প্রতি শ্রদ্ধা, বিশ্বাস আর গভীর বন্ধুত্বের নামই প্রেম!

সংজ্ঞা যাই হোক না কেন সবাই এই কথা স্বীকার করেছেন, প্রেম একটি অনুভূতি। আর এই প্রেমকে টিকিয়ে রাখতে গেলে প্রেমিক এবং প্রেমিকার দু’জনেরই সমান দায়িত্ব থাকে।

প্রেম যেমন হতে পারে অবিবাহিত যুগলের মধ্যে, তেমনি হতে পারে স্ব-সামাজিক রীতি অনুযায়ী বন্ধনে আবদ্ধ হয়ে একই ছাদের তলায় বসবাস শুরু করা কোনো নারী-পুরুষের মধ্যেও।

অবিবাহিত যুগলদের বহুল কাঙ্ক্ষিত লক্ষ্য তাদের সম্পর্ককে দাম্পত্যে গড়ানো। আর স্ব-সামাজিক রীতি অনুযায়ী দাম্পত্যের সম্পর্ককে আরও বেশি সংহত করার প্রচেষ্টায় থাকে দুই নর-নারী।

কিন্তু আধুনিক যুগে বদলে যাচ্ছে সম্পর্কের ধারণা। সময়ের সঙ্গে সঙ্গে বাড়ছে দাম্পত্য বিচ্ছেদের ঘটনা। এ ধরনের ঘটনা এমন জায়গায় পৌঁছেছে, যেখানে প্রশ্ন উঠছে আমাদের সামাজিক কাঠামোর টিকে থাকার বিষয় নিয়ে।

আর এই দাম্পত্য সমস্যার সমাধানের একটি পথ বাস্তু শাস্ত্র। যে সময়ে আপনি জেগে আছেন, সেই সময়ে আপনার জীবনের অনেকটাই আপনি নিয়ন্ত্রণ করতে পারেন। কিন্তু যখন আপনি ঘুমন্ত, সেই সময়ও চলতে থাকে জীবন। তবে, তখন সেটি আপনার নিয়ন্ত্রণের সম্পূর্ণ বাইরে। আর তার ব্যাপক প্রভাব পড়ে দাম্পত্যে এবং স্বামী-স্ত্রী সম্পর্কে।

১. বাড়ির দক্ষিণ, পূর্ব বা দক্ষিণ-পূর্ব দিকে শোয়ার ঘর থাকলে খুব ভাল।

২. নিজেদের বিয়ের ছবি শোয়ার ঘরের পূর্ব দেওয়ালে টাঙান।

৩. শোয়ার ঘরে ফুল রাখুন। বা, কোনও সুগন্ধী মোমও রাখতে পারেন।

৪. অফিস বা কাজের কথা শোয়ার ঘরের বাইরেই রেখে দিন। নিজেদের কথা বলুন।

৫. শোয়ার সময় খেয়াল রাখুন, মাথা যেন দক্ষিণ দিকে থাকে।

৬. শোয়ার জন্য ব্যবহৃত খাট কাঠের হওয়া বাঞ্ছনীয়।

৭. শোয়ার ঘরে নীল রঙের ল্যাম্পশেড রাখতে পারেন।

৮. শোয়ার ঘরে যেখানে বিছানা থাকবে, তার উপরের দেওয়ালে যেন বিম না থাকে।

৯. বাস্তু মতে, ঠাকুরের ছবি শোয়ার ঘরে একেবারেই রাখা উচিত নয়।

Leave a Reply

%d bloggers like this: