ঠোঁটের কালো দাগ দূর করার উপায়

আমাদের মধ্যে অনেকের সমস্যা থাকে ঠোঁটের কালো দাগ নিয়ে। ঠোঁটকে তরতাজা এবং সুন্দর রাখার জন্য অনেকেই বিভিন্ন রকমের চেষ্টা করে থাকেন, আবার ঠোঁটে যেসব প্রসাধনী ব্যবহার করা হয়, সেগুলোর ক্ষতিকর দিকও থাকে। বেশির ভাগ ক্ষেত্রেই দেখা যায় যে এগুলো আমরা না বুঝেই ব্যবহার করছি। অনেক লিপস্টিকে প্যারাফিন নামে একটি উপাদান থাকে। এটি ঠোঁটকে কালো করে দেয়।

অতিরিক্ত ম্যাট লিপস্টিক ব্যবহারেও ঠোঁট শুষ্ক হয়ে যায়। সেই শুষ্কতা থেকে ফেটে যাওয়ার ফলেও ঠোঁট কালো হয়। ঠোঁটকে মসৃণ ও আকর্ষণীয় রাখতে তাই প্রাকৃতিক পদ্ধতিতে যত্ন নেওয়াটাই সবচেয়ে ভালো। আসুন জেনেনি ঘরে থাকা উপাদান দিয়েই কিভাবে নেওয়া যায় ঠোঁটের যত্ন।

১. মঞ্জিষ্ঠা দুধের সঙ্গে ৩০ মিনিট ভিজিয়ে রেখে ভালোভাবে পেস্ট করে তা ঠোঁটে লাগিয়ে ২০ মিনিট রেখে দিন। এরপর উষ্ণ জলে ভেজানো কটন বল দিয়ে ঠোঁট মুছে নিতে হবে। নিয়ম করে সপ্তাহে তিন দিন এই প্যাক ব্যবহার করলে ঠোঁটের কালো দাগ দূর হবে।

২. তেজপাতা পরিষ্কার করে ধুয়ে নিতে হবে। এবার তেজপাতার সঙ্গে দুধের সর ও মধু মিশিয়ে পেস্ট বানাতে হবে। ঠোঁটে লাগিয়ে ১৫ মিনিট লাগিয়ে রাখার পর আলতোভাবে মুছে পরিষ্কার করে নিন। এই প্যাকটি রাতে ঘুমানোর আগে ব্যবহার করতে হবে।

৩. এক টেবিল চামচ ঘি গরম করে, এর সঙ্গে আধা চা-চামচ ভাজা সুজি ও আধা চা-চামচ দারুচিনি মিশিয়ে একটি মিশ্রণ তৈরি করে ফেলুন। এই প্যাকটি এক দিন পরপর ঠোঁটে ব্যবহার করুন। আলতোভাবে ঠোঁটে ঘষে ঘষে এই প্যাকটি লাগাতে হবে।

মনে রাখুন

i. লিপস্টিক বা লিপবাম কেনার সময় অবশ্যই উপাদানগুলো দেখে কিনুন।

ii. ম্যাট লিপস্টিক বেশি ব্যবহার না করাই ভালো।

iii. রোদে যাওয়ার সময় লিপস্টিক ব্যবহারের আগে অবশ্যই ঠোঁটে সানস্ক্রিন ব্যবহার করুন।

iv. ঠোঁট যেন কখনো অতিরিক্ত শুষ্ক না হয়ে যায়।

v. ঠোঁটে সব সময় ময়েশ্চারাইজার ব্যবহার করতে হবে।

vi. সকালে ঘুম থেকে উঠে একটি কটন বল গোলাপ জলে ভিজিয়ে ঠোঁট মুছে নেওয়ার অভ্যাস করুন।

vii. প্রসাধনী ব্যবহারে সচেতন থাকুন।

Leave a Reply

%d bloggers like this: