ঠোঁটের পরিচর্যা করার উপায়

নিজের ত্বকের সাথে ঠোঁটের পরিচর্যা করাও অত্যন্ত গুরুত্ব পূর্ণ। গরমে ত্বকের যত্ন তো নিশ্চয়ই নিয়ম করেই নিচ্ছেন। কিন্তু ঠোঁটের যত্ন নেওয়ার কথা মনে রেখেছেন কি? কেবল শীতকালেই ঠোঁটের যত্ন নেওয়া প্রয়োজন এমনটা মোটেও নয়। যেহেতু বাতাসে আর্দ্রতার অভাবে সেই সময় ঠোঁট ফাটে বেশি। গরমকালেও ঠোঁটের যত্ন নেওয়া প্রয়োজন। সুর্যের রশ্মিতে যাতে ঠোঁট ক্ষতিগ্রস্ত না হয়, সেটা দেখা দরকার।

মৃত কোষ ঝরিয়ে ফেলার জন্য শুধু ত্বকেরই নয়, ঠোঁটেরও এক্সফোলিয়েশন প্রয়োজন। অলিভ অয়েল আর চিনি দিয়ে ঠোঁটের জন্য স্ক্রাব বানিয়ে নিতে পারেন। কিংবা নরম ব্রাশ দিয়ে আলতো করে ঘষে নিন ঠোঁটজোড়া। তারপর লিপ বাম লাগিয়ে নিন।

ঠোঁট মসৃণ রাখা খুব জরুরি!

আধকাপ গোলাপের পাপড়ি মিশিয়ে নিন দুধে। এই মিশ্রণটা ঠোঁটে নিয়মিত লাগালে গোলাপের পাপড়ির মতোই হয়ে উঠবে ঠোঁট। এক চামচ মাখনের সঙ্গে হলুদ মিশিয়ে লাগালেও ফল পাবেন, তাছাড়া নারকেল তেল-আমন্ড অয়েল সমান পরিমাণে মিশিয়ে ঠোঁটে লাগাতে পারেন।

সুর্যের তাপে ঠোঁট কালো হয়ে গিয়েছে?

ধূমপান করলেও ঠোঁট কালো হয়ে যায়, বিশদে জানতে এখানে দেখুন । ফলে আগে থেকে সাবধান হওয়া ভাল। তারও উপায় রয়েছে। দইয়ের সঙ্গে কেশর মিশিয়ে নিন। দিনে ২-৩ বার এই মিশ্রণটা ঠোঁটে লাগান। স্বাভাবিক রং ফিরে আসবে। আমন্ড, মাখন আর দুধের মিশ্রণও লাগাতে পারেন। ঠোঁটে যদি কালো ছোপ পড়ে গিয়ে থাকে, বিটের রস লাগালে উপকার পাবেন।

কী ধরনের লিপ কেয়ার প্রডাক্ট ব্যবহার করছেন, সেটাও দেখা দরকার। লিপ বামে এসপিএফ থাকাটা গরমকালে আবশ্যিক। যে লিপ প্রডাক্টে পেট্রোলিয়াম জেলি অথবা বি’জ ওয়্যাক্স রয়েছে, সেগুলো এই মরসুমের পক্ষে ভাল। লিপগ্লসের বদলে গরমকালে বেছে নিন ম্যাট লিপকালার।

শরীর সুস্থ না রাখতে পারলে চেহারাতে তার প্রভাব পড়বেই। ঠোঁটও বাদ পড়বে না। তাই মরসুমি ফল, শাকসব্জি খান প্রচুর পরিমাণে। রান্না করে খাওয়ার বদলে বরং স্যালাড বানিয়ে ফেলুন। আর জল তো খেতেই হবে। ডিহাইড্রেশনে ভুগলে কিন্তু কোনও বিউটি টিপ্‌সই কাজে আসবে না।

ঠোঁটের কালো দাগ দূর করতে এখানে দেখুন 

Leave a Reply

%d bloggers like this: