শনিবারের নিরামিষ পদে জিভে জল আনা কিছু রেসিপি চান?

 

শনিবারে অনেকেই নিরামিষ খান, কিন্তু সমস্যা হয় কি বানাবে যা সবার পছন্দ হবে এবং সুস্বাদু হবে। সারা সপ্তাহ আমিষ বা বাইরে খেতে ভালো লাগে না। ঠিক সেই কারণে জেনে নিন এমন ২টি রেসিপি যা আপনার শনিবার কে সুস্বাদু করে তুলবে।

ভেজ মাখনওয়ালা

 

উপকরণ:

– ৪ টেবিলচামচ মাখন

– ১০০ গ্রাম গাজর কুচনো

– ৮-১০টা বিন্‌স টুকরো করা

– ১০০ গ্রাম ফুলকপি টুকরো করা

– আধকাপ কড়াইশুঁটি

– ২০০ গ্রাম পাকা টমেটোর টুকরো

– ২ টেবিলচামচ কাজুবাটা

– আধ ইঞ্চি আদা বাটা

– ৩-৪টে রসুন কোয়া

– ১টা মাঝারি তেজপাতা

– ১/২ চা-চামচ গরম মশলা

– ২টো কাঁচালঙ্কা

– ১/২ চা-চামচ লঙ্কাগুঁড়ো

– ১/২ চা-চামচ কসুরি মেথি

– এক চিমটে হলুদগুঁড়ো

– ২-৩ চামচ লো-ফ্যাট ক্রিম

– ১ চা-চামচ চিনি

– স্বাদমতো নুন

– ধনেপাতা

প্রণালী:

কড়াইয়ে দুই টেবিলচামচ মাখন গরম করে নিন। তাতে কুচি করে কাটা গাজর, বিন্‌স, ফুলকপি আর কড়াইশুঁটি দিন। নুন মিশিয়ে ভাল করে মিশিয়ে করে নিন। বেশি শুকনো হয়ে গেলে সাদা তেল দিতে পারেন। একটু বাদামি রং ধরলে কড়াই থেকে তুলে পাশে রেখে দিন। এবার মাখনওয়ালা গ্রেভিটা বানিয়ে নিন। অন্য একটা কড়াইয়ে বাকি ২ চামচ মাখন দিন। তাতে তেজপাতা আর আদাবাটা ফোড়ন দিন। তাতে টমেটো দিয়ে দিন। তারপর কাজুবাটাও মেশান। কম আঁচে সাঁতলে নিন। আর ঘন ঘন নাড়তে থাকুন। খেয়াল রাখবেন তলা না ধরে যায়। ৮-১০ মিনিট পর হলুদগুঁড়ো আর লাল লঙ্কাগুঁড়ো দিন। আধকাপ জল মেশান তারপর। খুব ভাল করে নাড়ুন। ফুটে গেলে কাঁচালঙ্কা চিরে দিয়ে দিন। আঁচ বাড়িয়ে দিয়ে আরও কিছুক্ষণ ফুটতে দিন। ৬-৮ মিনিট পরে দেখবেন, মাখনের সর উঠে এসেছে কড়াইয়ের উপর। তখন হালকা ভাজা করা সব্জিগুলো দিয়ে দিন গ্রেভিতে। হালকা হাতে নাড়ুন। এবার পরিমাণমতো নুন-চিনি মেশান। আবার ভাল করে নাড়ুন। তারপর লো-ফ্যাট ক্রিম দিন তাতে। খুব ভাল করে নাড়ুন যাতে গ্রেভিটা আরও ঘন হয়ে ওঠে। তারপর হাতে একটু ঘষে নিয়ে কসুরি মেথি দিন। ভাল করে মেশান। আরও ৫ মিনিট পর গরম মশলা মেশান। শেষে ধনেপাতা ছড়িয়ে পরিবেশন করুন। রুটি-পরোটার সঙ্গে ভাল জমবে।

ধাবা স্টাইল ডাল ফ্রাই

 

উপকরণ:

– ২ টেবিলচামচ ছোলার ডাল

– ২ টেবিলচামচ অড়হর ডাল

– ২ টেবিলচামচ কলাইয়ের ডাল

– ২ টেবিলচামচ মুগ ডাল

– ২ টেবিলচামচ মসুর ডাল

– ১টা বড় টমেটো

– ১ চিমটে হলুদগুঁড়ো

– আধ চা-চামচ ঘি বা সাদাতেল

– ১টা মাঝারি পেঁয়াজ কুচনো

– ১ চা-চামচ আদাবাটা

– ৬-৭টা রসুনকোয়া

– ২-৩টে কাঁচালঙ্কা চেরা

– ২-৩টে শুকনো লঙ্কা

– ১চা-চামচ কসুরি মেথি ক্রাশ করা

– ১/৪ চা-চামচ হলুদগুঁড়ো

– ১/৪ চা-চামচ গরম মশলা

– ১/২ চা-চামচ লাল লঙ্কাগুঁড়ো

– ১/২ চা-চামচ ধনেগুঁড়ো

– নুন-চিনি স্বাদমতো

– ২-৩ টেবিলচামচ ধনেপাতা কুচনো

প্রণালী:

খোসা ছা়ড়ানো এবং আধখানা করা ডালের বীজ নিয়ে ধুয়ে নিন। একঘণ্টা জলে ভিজিয়েও রাখতে পারেন, তবে আলাদাভাবে। প্রেশার কুকারে সব ডাল নিয়ে তাতে ২ কাপ জল আর এক চিমটে হলুদ গুঁড়ো দিন। ২০ মিনিট মাঝারি আঁচে রাখুন। ডাল সেদ্ধ হলে হালকা হাতে সব ডাল ম্যাশ করে নিন। অন্য একটা কড়াইয়ে তেল বা ঘি গরম করুন। সব মশলা দিয়ে ভাজতে থাকুন। সুগন্ধ বেরোলে বুঝবেন, হয়ে গিয়েছে। তারপর পেঁয়াজ দিন। হালকা বাদামি হয়ে গেলে আদাবাটা, রসুনকোয়া, কাঁচালঙ্কা, শুকনো লঙ্কা দিন। আদা রসুনের গন্ধ না মরা পর্যন্ত রাঁধুন। কসুরি মেথি দিয়ে নেড়ে নিন। টমেটো দিন। ভাজুন, নরম হওয়া পর্যন্ত। হলুদগুঁড়ো, লঙ্কাগুঁড়ো, ধনেগুঁড়ো, গরম মশলা দিয়ে নাড়ুন। কয়েকটা মৌরিদানা দিতে পারেন। তারপর সেদ্ধ করা ডাল মিশিয়ে নিন গ্রেভিতে। এক-২ কাপ জল মেশান। আঁচ কমিয়ে নুন-চিনি মিশিয়ে ফোটান। মাঝে মাঝে নাড়ুন, যাতে ধরে না যায়। একটু ঘন হয়ে এলে ধনেপাতা দিয়ে গার্নিশ করে পরিবেশন করুন।

আপনাদের ইচ্ছে মতো পেঁয়াজ রসুন ব্যবহার করতে পারেন।

Leave a Reply

%d bloggers like this: