চান বাচ্চা ফর্সা হয়ে জন্মাক? উপায় জানুন

 

মায়ের গর্ভে থাকাকালীনই সন্তানের গায়ের রং নির্ধারিত হয়। গায়ের রং ফর্সা হবে না কালো, এর জন্য নির্ভর কিছু বিষয়, যেমন

১) সন্তানের বাবা-মায়ের জিন

২) হরমোনের নিঃসরণ

৩) পরিবেশ ও আবহাওয়া

অন্য একটি বিষয় যেটি গুরুত্ব পুরনো সেটি হলো গর্ভবর্তী মায়ের খাদ্যাভাস। তিনি কী খাবার খাচ্ছেন, তার উপরও সন্তানের গায়ের রং নির্ভর করে।

তবুও আমাদের সমাজে শিশুকে গ্রহণ করার ব্যাপারে তার গায়ের রংকে প্রাধান্য দেওয়া হয়। এটাই এ দেশের ধরণ। সেই কারণে আমাদের দেশে ফেয়ারনেস ক্রিমের চাহিদা খুব বেশি। সানস্ক্রিন মেখে রোদে বেরনো, কিভাবে নিজের ত্বক কে আরো সুন্দর এবং আরো ফর্সা কিভাবে করবেন তার নানান কৌশল।

এই সময়ে কোনও শিশু যদি ফুটফুটে দুধে আলতা রং নিয়ে জন্মায়, এমনিতেই তার কদর বেড়ে যায়। তাই গর্ভাবস্থায় মাকে খেতে হবে এমন সব খাবার, যা শিশুর গায়ের রং করবে দুধে আলতা।

১. ত্বক ভালো করতে খেতে হবে কমলালেবু।

২. শিশুকে সূর্যের আলট্রা ভায়োলেট রে থেকে বাঁচাতে মাকে খেতে হবে টোম্যাটো।

৩. শিশুর ত্বক উজ্জ্বল করতে মাকে রোজ খেতে হবে চেরি ও বেরি ফল।

৪. গর্ভাবস্থার ৪,৫,৬ মাসে রোজ নিয়ম করে মা যদি ডিমের সাদা অংশ খান সন্তানের গৌরবর্ণ হবেই। কুসুমও খেতে পারেন, তাতেও মিলবে উপকার।

৫. অনেকে বলেন গর্ভাবস্থার ৯ মাসই যদি কেশর গরম দুধের সাথে মিশিয়ে খেলে শিশুর রং পরিষ্কার হয় এবং এতে উপকার আছে মায়ের জন্য।

৬. ঠাকুমা, দিদিমাদের মুখের শোনা কথা, গর্ভবতী মাকে যদি নারকেলের সাদা শাঁস নিয়ম করে খাওয়ানো হয়, তবে সন্তান নাকি খুব ফর্সা হয়। তবে অতিরিক্ত নারকেল না খাওয়াই ভালো। এতে ক্ষতি হতে পারে।

Leave a Reply

%d bloggers like this: