বাঙালীদের এই সমস্যা এড়াবে কে! জানুন

প্রায় প্রত্যেকের মধ্যে এই সমস্যা প্রতিটি ঘরে ঘরে হয় থাকে থাকে। এবং এই সমস্যা থেকে মুক্তি পাবার জন্য অনেকে বিভিন্ন পথ অবলম্বন করে থাকে, কিন্তু কোনো ভাবেই সফল হতে পারেন না। কোষ্ঠকাঠিন্যের বিরুদ্ধে লড়াইয়ে আগে জেনে নিন তার কারণসমূহ।


১. খাদ্যতালিকায় ফাইবারের কমতি। ফাইবারযুক্ত খাবার না-খেলে কোষ্ঠকাঠিন্য হওয়া স্বাভাবিক। কিন্তু তেল মশলায় কষিয়ে খাওয়ার খাদ্যতালিকায় হামেশাই ফাইবারযুক্ত খাবার বাদ দেন।

২. বাঙালি সুষম খাদ্য খায়, এমন অভিযোগ কেউ করবে না। ডিম, মাছ, মাংস, চিজ খেলে পাশাপাশি যে সমপরিমাণে সব্জি বা ফল খাওয়া প্রয়োজন, সেটা কেউই খেয়াল রাখেন কি আদোও? এয়ার ফলস্বরূপ, সকালে বাথরুমে এক প্রকার যুদ্ধ।


৩. কতটা জল খান? সবাই হাঁ বলবে। দিনে অন্তত চার লিটার জল খাওয়া প্রয়োজন। কিন্তু কত জন সেটা করেন? দেখা গিয়েছে, মানুষ দিনে গড়ে আড়াই লিটার জল খায়।


৪. অকারণ মানসিক টেনশন করায় সবাই কিন্তু একেবারে উপরের দিকে। অর্থাৎ, মানসিক চাপ সব শেষে গিয়ে পড়ছে পেটে। তার থেকে শুরু হচ্ছে সমস্ত অসুবিধা।

৫. একটু ব্যাকটিরিয়া শরীরে ঢুকতে দিন। অবাক হবেন না। টক দই বা প্রোবায়োটিক্‌স আনুন খাদ্যতালিকায়। কাজে দেবে।


৬. ব্যায়াম করেন? ভুঁড়ি নিয়ে কোষ্ঠকাঠিন্য নিয়ে হা-হুতাশ করবেন না। একটু-আধটু শরীরচর্চাও করুন।


৭. শেষ কথা, রাতে কোনও বিয়েবাড়িতে খুব বেশি খাওয়া হলে বা, বাড়িতেই একটু বাড়াবাড়ি হয়ে গেলে সবসময় শুয়ে পড়বেন না। নাক ডেকে ঘুমোলেই সকালে সেই একই সমস্যা।

Leave a Reply

%d bloggers like this: