কিভাবে আপনার শিশু দাঁতের ক্ষতি করছেন?

আপনার শিশু যদি এমন কোনো কাজ করে থাকে তবে নিজের অজান্তেই নানাভাবে দাঁতের ক্ষতি করছে। আপনি নিজেও সর্তক হন এবং এবং আপনার শিশুর দাঁতকে ক্ষতি থেকে রক্ষা করুন। জেনে নিন তেমনই কিছু ক্ষতিকর অভ্যাসের কথা।

১. রাতে ব্রাশ না করা

প্রতিদিন রাতে ঘুমানোর আগে শিশুর দাঁত ব্রাশ করান এবং নিজেও করুন। প্রতি ১২ ঘণ্টা পর পরই ব্যাকটেরিয়ার আক্রমণ বেড়ে যায় মুখে। যার ফলে দাঁত ক্ষয় হয়। এই অবস্থাকে প্রতিহত করার জন্যই সকালে ও রাতে ব্রাশ করা জরুরি। কখন রাতে ঘুমানোর আগে দাঁত ব্রাশ করতে ভুলে যাবেন না।

২. টুথপিক ব্যবহার করা

দাঁতে আটকে থাকা খাবার অপসারণে টুথপিক ব্যবহার করে অনেকেই। তবে চিকিৎসকরা বলছেন, টুথপিক ব্যবহার করলে দাঁতের সমস্যা হতে পারে। বিশেষত দাঁতে যদি ছিদ্র থাকে তাহলে সেই ছিদ্রে ইনফেকশন হতে পারে বা ছিদ্রটি আরো বড় হয়ে যেতে পারে। এর ফলে ব্যথা আরো বৃদ্ধি পায়। এর পরিবর্তে দাঁতের ভেতর আটকে থাকা খাবার বার করার জন্য বিশেষ ধরণের সুতো, ফ্লস বা ব্রাশ ব্যবহার করুন।

৩. শক্ত ব্রাশ ব্যবহার

দাঁত ব্রাশ করার জন্য নরম ব্রাশই ব্যবহার করুন। শক্ত বা মাঝারি শক্ত ব্রাশ ব্যবহার করলে দাঁতের মাড়ি ও মুখের ভেতরের অংশ ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে। টুথব্রাশের ব্রিসল নরম হলে দাঁতের ফাঁকে প্রবেশ করে এবং খুব সহজেই বাঁকানো যায় বলে ভালোভাবে মুখ পরিষ্কার করা যায়।

৪. দাঁত ব্যথার ঔষধ


দাঁতে কখনোই ব্যথানাশক ওষুধ নয়। কারণ ব্যথানাশকে মূল সমস্যার প্রাথমিক লক্ষণকে এড়িয়ে যাওয়ার চেষ্টা করা হয়। এতে হয়তো তাৎক্ষণিকভাবে ব্যথা কমে যায় কিন্তু আসল সমস্যার সমাধান হয় না। অল্প ব্যথা থাকতেই আপনি যদি চিকিৎসকের কাছে যান তাহলে হয়তো দাঁত স্কেলিং করলেই এই ব্যথা থেকে মুক্ত হতে পারেন।

৫. ঘরোয়া ওষুধে


ঘরোয়া চিকিৎসা যেমন অ্যাসপিরিন বা অন্য কোনো ব্যথানাশক গুঁড়ো করে দাঁতের ফাঁকে ব্যবহার করার ফলে দাঁতের সমস্যা আরো বেড়ে যেতে পারে। এতে দাঁতের ক্ষতিও করতে পারে। অ্যাসপিরিন বা অন্য কোনো ব্যথানাশক গুঁড়ো করে দাঁতের ফাঁকে ব্যবহার।

৬. চাপ দিয়ে ব্রাশ


খুব বেশি চাপ দিয়ে দাঁত ব্রাশ করা উচিত নয়। এতে দাঁতের ও মাড়ির ক্ষতি হতে পারে। খুব বেশি ঘষাঘষি করলে দাঁতের মাড়ি দিয়ে রক্তপাত হতে পারে। তাই ব্রাশ করুন হালকা চাপ দিয়ে।

Leave a Reply

%d bloggers like this: