শিশুকে হাফ সেদ্ধ ডিম খাওয়াচ্ছেন?

ডিম খেতে অনেকে শিশু ভালোবাসে। কিন্তু যে জিনিস খেতে ভাল লাগে, তাতেই বিপত্তি, তাও যদি হয় হাফ সেদ্ধ ডিম্। আর গরমের দিনে ডিম খাওয়া মানেই পেট গরম হওয়া। সুতরাং ইচ্ছে থাকলেও ডিম খাওয়ানো যায় না।


শিশুদের জন্য সব থেকে ভাল প্রোটিনের উৎস ডিম। এতে প্রয়োজনীয় অ্যামাইনো অ্যাসিড সঠিক মাত্রায় থাকে। ডিমের সাদা অংশে অ্যালবুমিন নামের প্রোটিনটি থাকে। নিয়মিত মাছ-মাংস না খেলে শিশুদের অবশ্যই ডিম খাওয়া দরকার। প্রয়োজনে সেদ্ধ করে খাওয়ানো যায়।


ডিমের কুসুমে কোলেস্টেরল যথেষ্ট থাকলেও ভয় নেই। কারণ সেই কোলেস্টেরল রক্তের কোলেস্টেরলের মাত্রাকে বাড়ায় না। উল্টে ডিমের লেসিথিন নামের যৌগটি কোলেস্টেরলকে কোষে নিয়ে গিয়ে শক্তি তৈরি করে। সুতরাং শক্তির উৎসও বটে ডিম।


তবে ডিমের একটাই দোষ। ডিম পাখির মল বেরোনোর রাস্তা দিয়ে নির্গত হয়। ডিমের খোলায় ক্ষুদ্রাতিক্ষুদ্র ছিদ্র থাকে। সেখান থেকে ব্যাকটেরিয়া ছিদ্র মাধ্যমে ঢুকে পড়ে ডিমে। তাই শিশুকে ডিম কখনওই কাঁচা বা অর্ধসেদ্ধ খাওয়া উচিত নয়। খেলে সালমোনেলা ব্যাকটেরিয়া ইনফেকশন হয়ে পেটের গণ্ডগোল হয়। বিশেষ করে বর্ষাকাল বা গরম কালে।


মুরগির ডিম বা হাঁসের ডিম দুটোই খাওয়া যায়। কিন্তু হাঁসের ডিম খাওয়ার সময় সেটি হার্ড বয়েল, অন্তত আধ ঘণ্টা সেদ্ধ করে খাওয়া দরকার।

Leave a Reply

%d bloggers like this: