বাস্তু ও যৌনজীবনের ওপর তার প্রভাব

বিছানা যদি ঠিক না হয় তবে শরীরও সুখ পাবে না। মন তো পাবেই না। উল্টে নানা গোলমাল দূরত্ব তৈরি করবে আপনার সঙ্গীর সঙ্গে।

দাম্পত্য সুখের হয় বিছানার গুণে। শুধু বিছানা নয়, শোয়ার ঘরটিও হওয়া চাই নিয়মমাফিক। এমনটাই বলছে বাস্তুশাস্ত্র। ঠিকঠাক হলে সব ঠিকঠাক। আর ঠিকঠাক না হলে সবটাই গোলমাল। শরীরও সুখ পাবে না। মন তো পাবেই না। উল্টে নানা গোলমাল দূরত্ব তৈরি করবে আপনার সঙ্গীর সঙ্গে।

জেনে নিন ঠিক কেমন হওয়া উচিত আপনার শোয়ার ঘর, আপনার বিছানা।

কী কী করবেন না

১। শোয়ার ঘরে আয়না রাখবেন না। আয়না থেকে এক ধরনের শক্তি বিকিরিত হয় যা দাম্পত্য সুখে বাধা।

২। একান্তই আয়না শোয়ার ঘরে রাখত হলে বিছানার পজিশন বদলান। বিছানা যেন আয়নায় প্রতিবিম্বিত না হয়।

৩। শয়নকক্ষের ঠিক উপরে যদি জলের ট্যাঙ্ক থাকে তবে ঘর বদল করুন। টপ ফ্লোর না হলে অবশ্য সমস্যা নেই।

৪। জোড়া খাটে ঘুমোবেন না। আলাদা আলাদা গদিতেও নয়। একান্ত প্রয়োজনে আলাদা বিছানা হলে সেক্স করুন জোড় নয় এমন বিছানায়।

৫। শোয়ার ঘরে চৌবাচ্চা বা অ্যকোয়ারিয়াম রাখবেন না। জল সম্পর্কিত কোনও ছবিও রাখবেন না।

কী কী করবেন

১। এমন করে শোবেন যাতে দরজার দিকে পা না থাকে। ফেংশ্যুই মতে এটাকে মৃত অবস্থা বলা হয়। দাম্পত্যকে জীবিত রাখুন।

২। শোয়ার ঘরে আয়না থাকলে তাতে পর্দা দিয়ে ঢেকে রাখুন। নিজেদের ভালবাসার চরম মুহূর্তগুলো নিজেরা না দেখাই উচিত।

৩। শোয়ার ঘরে তাজা ফুল রাখুন। শুকিয়ে গেলেই বদলে ফেলুন। ফুলের ছবি সরিয়ে রাখুন ম্যান্ডারিন ডাকস-এর রোমান্টিক ছবি।

৪। শোয়ার ঘরের রং এবং আলো যেন সব সময় রোমান্টিক হয়। বিছানার রং নিয়েও সতর্ক থাকা উচিত। হালকা রং ভাল।

৫। শয়নকক্ষে টিভি থাকলে বিছানা পাতুন ভেবে। স্ক্রিনে ছায়া যেন না পড়ে। এতে স্বামী-স্ত্রীর মধ্যে ভুল বোঝাবুঝি সৃষ্টি হতে পারে।

সর্বশেষ পরামর্শ

শোয়ার ঘরের দেওয়ালে গুরুজন বা গুরুদেবের ছবি যেন না থাকে। এটা মনের উপরে প্রভাব ফেলে। সঙ্কোচ তৈরি করে।

সবকটি নিয়ম মানলে দেখবেন হ্যাপিনেস আনলিমিটেড।

Leave a Reply

%d bloggers like this: