এই অতি পুষ্টিকর খাদ্যগুলিও শিশুকে অসময় খাওয়ালে অস্বাস্থকর হতে পারে

শিশুর সুস্থ জীবনযাপনের জন্য পুষ্টিকর খাবার খাওয়া অপরিহার্য। দেহের পুষ্টির চাহিদা পূরণের জন্য এই খাবারগুলো আমরা ওদের খাইয়ে থাকি। আপনি জানেন কি, এই পুষ্টিকর খাবারগুলো শিশুকে খাওয়ানোর সঠিক সময় রয়েছে? ভুল সময়ে খাবারগুলো খাওয়ানোর কারণে হজমে সমস্যা থেকে শুরু করে অন্যান্য শারীরিক সমস্যাও দেখা দিতে পারে। তাহলে জেনে নেওয়া যাক পরিচিত এই খাবারগুলো খাওয়ানোর সঠিক সময়টি। 

১. দুধ

পুষ্টিকর সুষম খাবার বলতে আমরা মূলত দুধকে বুঝি। এই দুধ খাওয়ানোর সঠিক সময় হল রাত। দুধ হজম হতে সময় বেশি লেগে থাকে, যার কারণে দিনের বেলা এটি খাওয়ালে শিশু অলসবোধ করতে পারে। রাতে দুধ পান করান, এতে শরীর রিল্যাক্স হবে এবং কোষগুলো দুধের পুষ্টি ভালভাবে শুষে নিতে পারবে।

২. ভাত

পুষ্টিবিদ এবং ডায়েটিশিয়ানের মতে ভাত এবং ব্রেড জাতীয় খাবার বাচ্চাকে রাতে না খাওয়ানোই ভাল। এটি পেট ভরিয়ে রেখে হজমে সমস্যা করে থাকে। রাতে ভাত ওজন বৃদ্ধি করে, হজমে দীর্ঘ সময় নিয়ে থাকে।

৩. টকদই

রাতে টকদই খাওয়া হলে, এটি শরীরে তাপ বৃদ্ধি করে দেয় যা শিশুর হজমের সমস্যা, বুক জ্বালাপোড়া সৃষ্টি করে থাকে। দুপুরের গরমে দই খাওয়াও একই সমস্যা সৃষ্টি করে থাকে শিশুর শরীরে।

৪. কফি

বাচ্চা একটু বড় হলে শীতকালে কফি খেতে চায়। কিন্তু কফি ঘুমের সমস্যা সৃষ্টি করে ও ববাচ্চাকে জাগিয়ে রাখে। সকাল অথবা দুপুরে কফি পান করাতে পারেন।

৫. কমলার রস

সকালের ব্রেকফাস্টে অনেকেই কমলার রস পান করান বাচ্চাকে। এটি পান করার সঠিক সময় হল সকালবেলা। এর ভিটামিন ডি এবং ফলিক অ্যাসিড সারাদিনের শক্তি দিয়ে মেটাবলিক বৃদ্ধি করে থাকে বাচ্চাদের।

৬. চিনি

চিনি এবং চিনি জাতীয় খাবার সবচেয়ে ভাল সময় হল সকালবেলা। এরা শক্তি বৃদ্ধি করে সারাদিনে কাজে উদ্যম দিয়ে থাকে। রাতে চিনি জাতীয় খাবার না খাওয়ানোই ভাল।

৭. কলা

সকাল অথবা বিকেল কলা খাওয়ানোর উপযুক্ত সময়। এটি প্রাকৃতিক অ্যান্টাসিড যা শিশুদের গ্যাসের জ্বালাপোড়া দূর করে দীর্ঘ সময় পেট ভরিয়ে রাখে। রাতে কলা খাওয়া অনেকে বাচ্চারি ঠান্ডার সমস্যা সৃষ্টি করে থাকে।

Leave a Reply

%d bloggers like this: